[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩

জন্মদিন উপলক্ষে দান-সদকা কি জায়েজ?

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬ ১১:৫৮ এএম

সংগৃহীত ছবি

পৃথিবীতে আগমনের দিনটি স্মরণীয় করে রাখতে অনেকেই জন্মদিন বিশেষভাবে উদযাপন করে

 থাকেন। তবে ইসলামিক গবেষক ও আলেমদের মতে, প্রচলিত নিয়মে জন্মদিন পালন করা বিজাতীয় সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত। রাসুলুল্লাহ (সা.) অন্যান্য সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণে নিরুৎসাহিত করে বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোনো বিজাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করবে, সে তাদের দলভুক্ত বলে গণ্য হবে” (আবু দাউদ, হাদিস: ৪০৩)। এছাড়া জন্মদিনকে কেন্দ্র করে প্রায়ই অপচয় ও অপব্যয় করতে দেখা যায়, যা ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। কোরআনে এর প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, “তোমরা আহার করো ও পান করো; কিন্তু অপচয় করো না...” (সূরা আরাফ, আয়াত: ৩১)।

​এই প্রেক্ষাপটে অনেকে বিজাতীয় কালচার ও অপচয় এড়িয়ে নিজের বা সন্তানের জন্মদিনে কেক কাটার বদলে দান-সদকা বা এতিম-মিসকিনদের আহার করানোর উদ্যোগ নেন।

​ইসলামি বিধান অনুযায়ী, মহান আল্লাহর যেকোনো নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করা, দান-সদকা করা এবং দরিদ্রদের খাবার খাওয়ানো অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও সওয়াবের কাজ। সন্তানের জন্ম লাভ ও সুস্থ থাকা বাবা-মায়ের জন্য আল্লাহর এক বিশেষ অনুগ্রহ। তাই এই নিয়ামতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশে গরিব ও এতিমদের খাবার দেওয়া বা নফল সদকা করাতে কোনো বাধা নেই এবং তা সওয়াবের কাজ হিসেবে বিবেচিত হবে।

​তবে আলেমদের মতে, জন্মদিন নির্দিষ্ট করে ওই দিনেই দান-সদকা করাকে শরীয়তের বিশেষ কোনো নির্ধারিত ইবাদত মনে করা যাবে না। আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া হিসেবে নির্দিষ্ট জন্মদিনটির বাইরে বছরের অন্য যেকোনো দিন দান-সদকা করা অধিকতর উত্তম।

এসআর

সম্পর্কিত খবর