[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৯ আশ্বিন ১৪৩৩

শিশুদের আয়াতুল কুরসি শেখানোর গুরুত্ব ও করণীয়

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯:৪৫ এএম

সংগৃহীত ছবি

শিশুদের শৈশব থেকেই পবিত্র কোরআনের শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা ইসলামী শিক্ষার

 অন্যতম ভিত্তি। বিশেষ করে সুরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াত, অর্থাৎ ‘আয়াতুল কুরসি’ মুখস্থ করানোর পাশাপাশি এর অর্থ ও শিক্ষা শিশুদের বুঝিয়ে দেওয়া অত্যন্ত প্রভাবশালী ভূমিকা রাখে। এই আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহর মহত্ত্ব, অসীম ক্ষমতা ও সর্বময় কর্তৃত্বের পরিচয় চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।

​শিশুদের আয়াতুল কুরসি শেখানোর প্রধান উপকারিতা ও শিক্ষণীয় দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

  • আল্লাহর পরিচয় ও সঠিক আকাইদের সূচনা: এই আয়াতে আল্লাহর একত্ববাদ, চিরঞ্জীব সত্তা ও অসীম ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে। সহজ ভাষায় এসব বিষয় শিশুদের বোঝালে শৈশব থেকেই তাদের মনে আল্লাহ যে সবার সৃষ্টিকর্তা ও রক্ষক—এই বিশ্বাস দৃঢ় হয়।
  • কোরআনের প্রতি ভালোবাসা ও চর্চা: নিয়মিত কোরআন তিলওয়াত ও আয়াত মুখস্থের মাধ্যমে শিশুর সঙ্গে কোরআনের এক নিবিড় আত্মিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যা ভবিষ্যতের দ্বীনি শিক্ষার পথ সুগম করে।
  • ঈমান ও তাওাক্কুল বৃদ্ধি: আল্লাহর অসীম ক্ষমতার কথা জানতে পেরে শিশু যেকোনো ভয় বা অনিশ্চয়তার মুহূর্তে মানুষের ওপর নির্ভর না করে আল্লাহর ওপর ভরসা করতে শেখে।
  • আমল ও ইবাদতে আগ্রহ: আয়াতুল কুরসির মর্যাদা জানালে শিশু প্রতিদিনের নামাজ, দোয়া ও অন্যান্য আমলের প্রতি স্বতঃস্ফূর্তভাবে উৎসাহিত হয়। বিশেষ করে ফরজ নামাজের পর এটি তিলওয়াতের অভ্যাস গড়ে তোলা সম্ভব।

পিতামাতার করণীয়:

শিশুকে শুধু তাড়াহুড়ো করে মুখস্থ না করিয়ে ভালোবাসার সঙ্গে অল্প অল্প করে শুদ্ধ উচ্চারণ ও অর্থ শেখানো উচিত। এছাড়া পিতামাতা নিজেরা এটি নিয়মিত তিলওয়াত করলে ও এর শিক্ষা জীবনে প্রয়োগ করলে তা শিশুর ওপর সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। শৈশবের এই দ্বীনি শিক্ষা তার পুরো জীবনের ঈমানি ও নৈতিক চরিত্রের ভিত্তি হয়ে থাকে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর