শিশুদের শৈশব থেকেই পবিত্র কোরআনের শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা ইসলামী শিক্ষার
অন্যতম ভিত্তি। বিশেষ করে সুরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াত, অর্থাৎ ‘আয়াতুল কুরসি’ মুখস্থ করানোর পাশাপাশি এর অর্থ ও শিক্ষা শিশুদের বুঝিয়ে দেওয়া অত্যন্ত প্রভাবশালী ভূমিকা রাখে। এই আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহর মহত্ত্ব, অসীম ক্ষমতা ও সর্বময় কর্তৃত্বের পরিচয় চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।
শিশুদের আয়াতুল কুরসি শেখানোর প্রধান উপকারিতা ও শিক্ষণীয় দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
পিতামাতার করণীয়:
শিশুকে শুধু তাড়াহুড়ো করে মুখস্থ না করিয়ে ভালোবাসার সঙ্গে অল্প অল্প করে শুদ্ধ উচ্চারণ ও অর্থ শেখানো উচিত। এছাড়া পিতামাতা নিজেরা এটি নিয়মিত তিলওয়াত করলে ও এর শিক্ষা জীবনে প্রয়োগ করলে তা শিশুর ওপর সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। শৈশবের এই দ্বীনি শিক্ষা তার পুরো জীবনের ঈমানি ও নৈতিক চরিত্রের ভিত্তি হয়ে থাকে।
এসআর