নিয়মিত গোসলের পরও শরীর থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ার সমস্যায় অনেকেই ভোগেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গোসলের সময় কিছু সাধারণ ভুলের কারণেও শরীরে দুর্গন্ধ থেকে যেতে পারে। শুধু ঘাম ও ময়লা দূর করাই পরিচ্ছন্নতার শেষ কথা নয়; ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা ও ভারসাম্যও বজায় রাখা প্রয়োজন। তাই পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করাও ঠিক নয়।
গোসলের সময় যেসব বিষয়ে খেয়াল রাখবেন—
কঠিন সাবান বেশি ব্যবহার:
শরীর পরিষ্কার রাখতে সাবান বা ক্লিনজার প্রয়োজন হলেও বেশি ব্যবহার করলেই পরিচ্ছন্নতা বাড়ে না। অতিরিক্ত সাবান ত্বকের স্বাভাবিক তেল কমিয়ে শুষ্কতা তৈরি করতে পারে। সংবেদনশীল বা শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে মৃদু ক্লিনজার ব্যবহার করা যেতে পারে। বিশেষ করে বগল, পায়ের পাতা এবং যেসব স্থানে বেশি ঘাম হয়, সেসব জায়গা ভালোভাবে পরিষ্কার করা জরুরি।
অতিরিক্ত গরম পানিতে গোসল:
গরম পানিতে গোসল আরামদায়ক মনে হলেও অতিরিক্ত গরম পানি ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমাতে পারে। গোসলের পর শরীর গরম থাকলে আবার ঘাম হতে পারে, ফলে কিছু সময়ের মধ্যেই শরীরে দুর্গন্ধ তৈরি হওয়ার সুযোগ থাকে। তাই খুব গরম পানি এড়িয়ে চলাই ভালো।
পা পরিষ্কার করতে ভুল করা:
গোসলের সময় শরীরের অন্যান্য অংশ পরিষ্কার করলেও পায়ের পাতার দিকে অনেকে যথেষ্ট মনোযোগ দেন না। পায়ে ঘাম ও ময়লা জমে থাকলে সেখান থেকেও দুর্গন্ধ হতে পারে। তাই গোসলের সময় পা ও পায়ের আঙুলের ফাঁক ভালোভাবে পরিষ্কার করা উচিত।
তোয়ালে অপরিষ্কার রাখা:
ব্যবহারের পর ভেজা তোয়ালে গুটিয়ে বা স্যাঁতসেঁতে জায়গায় রাখলে তাতে জীবাণু ও দুর্গন্ধ তৈরি হতে পারে। সেই তোয়ালে বারবার ব্যবহার করলে পরিষ্কার শরীরেও গন্ধ লেগে যেতে পারে। তাই ব্যবহারের পর তোয়ালে ভালোভাবে মেলে শুকিয়ে রাখা এবং নিয়মিত ধুয়ে নেওয়া জরুরি।
গোসলের পর পরিষ্কার ও সম্পূর্ণ শুকনো পোশাক পরার অভ্যাসও বজায় রাখা উচিত। দীর্ঘ সময় ভেজা বা ঘামযুক্ত পোশাক পরে থাকলেও শরীরে দুর্গন্ধ তৈরি হতে পারে
এসআর