রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ ও ওজন ব্যবস্থাপনায় আপেল সাইডার ভিনেগারের ইতিবাচক ভূমিকা
নিয়ে গবেষণামূলক প্রমাণ রয়েছে। এতে থাকা অ্যাসিটিক অ্যাসিড কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবারের পর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা হঠাৎ বৃদ্ধি পাওয়া রোধে সহায়তা করে। ২০০৯ সালের এক জাপানি গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত সঠিক মাত্রায় ভিনেগার গ্রহণ করলে তা ওজন ও শরীরের চর্বি সামান্য কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে; তবে এটি এককভাবে মেদ বা ভুঁড়ি কমায় না, বরং সুষম খাদ্যাভ্যাসের সহায়ক হিসেবে কাজ করে। এছাড়া অন্ত্রের স্বাস্থ্যে এর প্রভাব নিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে গবেষণা চললেও মানবদেহে এর কার্যকারিতা এখনো সম্পূর্ণ নিশ্চিত নয়।
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের জন্য ভিনেগার মূলত খাবারের সঙ্গে বা ঠিক আগে খাওয়া কার্যকর। এটি কখনোই সরাসরি পান করা উচিত নয়, কারণ এর তীব্র অম্লীয় উপাদান গলা ও দাঁতের এনামেলের ক্ষতি করতে পারে। তাই এক গ্লাস পানিতে অন্তত ১ চা চামচ ভিনেগার মিশিয়ে পাতলা করে পান করাই সবচেয়ে নিরাপদ ও সঠিক পদ্ধতি।
এসআর