আসলে কোনো গাছই চিরকাল পুরোপুরি আলো ছাড়া বাঁচতে পারে না। সবুজ উদ্ভিদের টিকে
থাকার জন্য সালোকসংশ্লেষণ জরুরি, তাই ইনডোর প্লান্টগুলোরও অন্তত কিছুটা পরোক্ষ আলোর প্রয়োজন হয়। তবে কিছু অসাধারণ সহনশীল গাছ রয়েছে, যেগুলো খুব কম আলোতেই দিব্যি বেড়ে ওঠে—যেমন উত্তরমুখী ঘরের কোণে বা অফিসের আবছা করিডোরে। যাদের ঘরে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো আসে না, তাদের জন্য এমন ৫টি গাছ নিচে আলোচনা করা হলো:
জেডজেড প্ল্যান্ট (ZZ plant): অবহেলা ও অন্ধকার সহ্য করার ক্ষেত্রে এই গাছের জুড়ি নেই। এর পুরু পাতা ও মাটির নিচের রাইজোম পানি সঞ্চয় করে রাখে। ফলে সপ্তাহের পর সপ্তাহ কম আলো এবং অনিয়মিত পানিসেচ সত্ত্বেও এটি টিকে থাকে।
স্নেক প্ল্যান্ট: সহজে মারা না যাওয়ার জন্য স্নেক প্ল্যান্টের বিশেষ খ্যাতি রয়েছে। বিশেষ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার কারণে এটি খুব কম আলোতেই বাঁচতে পারে। আবছা শোবার ঘর বা জানালাবিহীন বাথরুমের জন্য এটি চমৎকার এক পছন্দ।
মানি প্ল্যান্ট: আলো কম পাওয়া অ্যাপার্টমেন্টের জন্য মানি প্ল্যান্ট দারুণ উপযোগী। এর লতানো ডালপালা কম আলো ও অনিয়মিত পানি বেশ ভালোভাবে সামলে নেয়, যদিও আলোর অভাবে পাতাগুলোর বৈচিত্র্যময় রঙ কিছুটা কমে স্রেফ সবুজ হতে পারে।
কাস্ট আয়রন প্ল্যান্ট: ভিক্টোরিয়ান আমল থেকেই আবছা ঘরের গাছ হিসেবে এর পরিচিতি। গভীর ছায়া, তাপমাত্রার ওঠানামা এবং অবহেলা সহ্য করায় এটি অত্যন্ত মজবুত। এর গাঢ় সবুজ পাতাগুলো ধীর গতিতে বাড়ে, যা কম যত্নেরই অংশ।
পিস লিলি: কম আলোতে পিস লিলি বেশ ভালোভাবে মানিয়ে নিতে পারে, তবে এর সৌন্দর্য ধরে রাখতে সামান্য বাড়তি যত্ন লাগে। আবছা স্থানে এর চকচকে পাতা সুস্থ থাকে, তবে সুন্দর সাদা ফুল পাওয়ার জন্য মাঝে মাঝে হালকা পরোক্ষ আলোর প্রয়োজন হয়।
এসআর