প্রতিদিনের ভুলভ্রান্তি ও জীবনযাত্রার প্রভাবে শরীরে কর্টিসল হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে গিয়ে
মনমেজাজ খারাপ হওয়ার সমস্যা তৈরি হতে পারে। কর্টিসল রক্তে শর্করার মাত্রা ও বিপাক নিয়ন্ত্রণ করলেও এর মাত্রা বাড়লে মানসিক চাপ ও মন খারাপ বেড়ে যায়। তবে কিছু অভ্যাস রপ্ত করে এবং জীবনযাপনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনে এই হরমোনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং মন ফুরফুরে রাখা সম্ভব।
সকালে ঘুম থেকে উঠে সন্তানকে জড়িয়ে ধরা, প্রিয়জনের হাত ধরা কিংবা অভিভাবকদের পাশে কিছু সময় কাটানো মানসিক চাপ কমায়। এছাড়া অপ্রকাশিত অনুভূতি ডায়েরিতে লিখে রাখা বা বিশ্বস্ত কাউকে বলা, প্রিয় শখ (যেমন: রান্না, বাগান করা, আঁকা বা গান-নাচ) চর্চা করা এবং ঘরে ব্যায়ামের বদলে খোলা হাওয়ায় হাঁটা বা সাইক্লিং করা মানসিক শান্তি ফেরাতে সাহায্য করে। শিশিরভেজা ঘাসে খালি পায়ে হাঁটলেও কর্টিসলের মাত্রা কমে।
পাশাপাশি খালি পেটে চা-কফির বদলে ভেষজ চা এবং খাদ্যাভ্যাসে ম্যাগনেশিয়াম (কাঠবাদাম, কলা, সালাদ) ও ট্রিপটোফ্যানসমৃদ্ধ খাবার (ডিম, কুমড়ার বীজ, মাছ) রাখলে মন ভালো রাখার হরমোন সেরোটোনিনের ক্ষরণ বৃদ্ধি পায়।
এসআর