[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

স্লিম হলেই কোলেস্টেরল থেকে মুক্ত নন: সতর্ক করলেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩ জুলাই ২০২৬ ৮:৪২ এএম

সংগৃহীত ছবি

স্লিম বা শারীরিকভাবে ফিট হলেই যে কেউ উচ্চ কোলেস্টেরলের হাত থেকে সুরক্ষিত, এমন

 কোনো নিশ্চয়তা নেই। বাহ্যিকভাবে সুস্থ দেখতে মানুষদেরও উচ্চ কোলেস্টেরল থাকতে পারে বলে সতর্ক করেছেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা। ওজন বা জীবনযাপন পদ্ধতি যেমনই হোক না কেন, প্রাপ্তবয়স্ক সবারই নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

​‘নীরব ঘাতক’ উচ্চ কোলেস্টেরল

​সাধারণত অনেকেই মনে করেন উচ্চ কোলেস্টেরল কেবল স্থূলকায়, বয়স্ক বা অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে অভ্যস্ত ব্যক্তিদেরই হয়ে থাকে। তবে বিশেষজ্ঞরা জানান, উচ্চ কোলেস্টেরল বছরের পর বছর ধরে শরীরে কোনো লক্ষণ ছাড়াই অগোচরে থেকে যেতে পারে। এ কারণেই একে ‘নীরব ঘাতক’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

​সময়মতো চিকিৎসা না করা হলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এবং অন্যান্য কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পায়।

​ভালো ও খারাপ কোলেস্টেরলের পার্থক্য

​কোলেস্টেরল হলো রক্তে প্রবাহিত এক ধরনের চর্বিজাতীয় পদার্থ, যা লাইপোপ্রোটিনের মাধ্যমে বাহিত হয়।

​লো-ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন (LDL): এটি 'খারাপ কোলেস্টেরল' নামে পরিচিত। এটি ধমনির দেয়ালে জমা হয়ে রক্তনালি সংকুচিত করে ফেলে, যার ফলে হৃৎপিণ্ড ও মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ ব্যাহত হয়।

​হাই-ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন (HDL): এটি 'ভালো কোলেস্টেরল' হিসেবে পরিচিত। এটি রক্ত থেকে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল অপসারণে সাহায্য করে। শরীরে এইচডিএল-এর মাত্রা কমে গেলে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল দূর করার সক্ষমতা হ্রাস পায়।

​বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

​স্বাস্থ্যকর ওজন, নিয়মিত ব্যায়াম ও সুষম খাবার শারীরিক সুস্থতার জন্য জরুরি হলেও তা কোলেস্টেরল স্বাভাবিক থাকার নিশ্চয়তা দেয় না। কোলেস্টেরলের মাত্রা নিশ্চিতভাবে জানার একমাত্র উপায় হলো রক্ত পরীক্ষা করা।

​বিশেষ করে যাদের পরিবারে উচ্চ কোলেস্টেরল বা হৃদরোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের জন্য কোনো শারীরিক লক্ষণ না থাকলেও নিয়মিত স্ক্রিনিং করানো অত্যন্ত জরুরি। বয়স বা দৈহিক গঠন যেমনই হোক না কেন, ঝুঁকি এড়াতে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার তাগিদ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

এসআর

সম্পর্কিত খবর