[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

তীব্র গরমে শরীর ক্লান্ত ও অলস হওয়ার বৈজ্ঞানিক কারণ ও বাঁচতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০ মে ২০২৬ ১০:২৭ পিএম

সংগৃহীত ছবি

গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে শরীরে অলসতা ও কাজ করার ক্ষমতা কমে যাওয়ার পেছনে সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। বিশেষজ্ঞরা একে চিকিৎসা

 বিজ্ঞানের ভাষায় ‘সামার লেথারজি’ বা গ্রীষ্মকালীন অবসাদ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অতিরিক্ত তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে শরীরকে শীতল রাখতে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি বাড়তি শক্তি বা অ্যানার্জি ব্যয় করতে হয়।

ঠিক যেমন মোবাইল ফোনের চার্জ কমে গেলে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘পাওয়ার সেভিং মোডে’ চলে যায়, তীব্র গরমে আমাদের শরীরও নিজের শক্তি বাঁচাতে একইভাবে ধীরগতির ও ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এছাড়া শরীরে ক্লান্তির পাশাপাশি মেজাজ খিটখিটে হওয়া ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতার লক্ষণ, যা প্রয়োজনীয় তরলের ঘাটতি তৈরি করে মস্তিষ্ক ও অন্যান্য অঙ্গের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ব্যাহত করে।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় চিকিৎসকেরা দৈনিক অন্তত দুই লিটার পানি, ডাবের পানি এবং ইলেক্ট্রোলাইট সমৃদ্ধ পানীয় পানের পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি গরমের কারণে পরিপাকতন্ত্র ধীরগতির হয়ে পড়ায় ভারী বা তেল-চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে হালকা খাবার খাওয়া, নিয়মিত গোসল করা এবং প্রয়োজনে ভেজা বা ঠান্ডা তোয়ালে ব্যবহারের কথাও বলা হয়েছে।

চরম তাপমাত্রাকে হালকাভাবে না নেওয়ার সতর্কবার্তা দিয়ে বিশেষজ্ঞরা জানান, এর ফলে হিট ক্র্যাম্পস বা পেশিতে টান ধরা, হৃদস্পন্দনের গতি বেড়ে যাওয়া, হিট এক্সহশচন বা চরম ক্লান্তি এবং মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে হিট স্ট্রোক হতে পারে। তাই গরমে ক্লান্তি দেখা দিলে শরীরের ওপর জোর না খাটিয়ে পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং তরল খাবার গ্রহণ করাই সুস্থ থাকার একমাত্র উপায়।

এসআর

সম্পর্কিত খবর