বিশ্বকাপ ২০২৬-এর কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হয়ে মাঠেই বড় ধাক্কা খায়
সুইজারল্যান্ড। ডাইভ দেওয়ার অপরাধে ভিএআর (VAR)-এর সহায়তায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড তথা লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় সুইস ফরোয়ার্ড ব্রিল এম্বোলোকে। আর এই সুযোগে ১-০ গোলের জয় ধরে রেখে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে আলবিসেলেস্তেরা।
পেনাল্টির নাটক ও ভিএআর সিদ্ধান্ত
ম্যাচের ৭০তম মিনিটে আর্জেন্টিনার পেনাল্টি বক্সের ভেতর পড়ে গিয়ে স্পট কিকের জোরালো আবেদন জানান এম্বোলো। তবে আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডাররা দাবি করেন, কোনো স্পর্শ ছাড়াই তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে মাটিতে পড়ে গেছেন। মাঠের রেফারির সংশয় দূর করতে এগিয়ে আসে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর)। রেফারি জোয়াও পিনহেইরো মাঠের পাশের মনিটরে রিপ্লে দেখে নিশ্চিত হন যে, কোনো ফাউল হয়নি বরং এম্বোলো ডাইভ দিয়েছেন।
১০ জনের দলে সুইজারল্যান্ড
ডাইভ দেওয়ার অপরাধে ম্যাচের ৭২তম মিনিটে রেফারি এম্বোলোর উদ্দেশ্যে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড উঁচিয়ে ধরেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাল কার্ডে রূপ নেয়। এর আগে প্রথমার্ধের ৪৪তম মিনিটে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে ফাউল করার দায়ে প্রথম হলুদ কার্ড দেখেছিলেন এই সুইস স্ট্রাইকার।
ম্যাচের ওপর প্রভাব
ম্যাচের ৭২তম মিনিট থেকে ১০ জনের দলে পরিণত হয় সুইজারল্যান্ড। প্রথমার্ধের ১০ম মিনিটে ম্যাক অ্যালিস্টারের গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যাওয়া আর্জেন্টিনা এই লাল কার্ডের ঘটনার পর ম্যাচটি পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। একজন কম খেলোয়াড় নিয়ে শেষ দিকে সমতায় ফেরার জন্য আর কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি সুইসরা, ফলে ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা।
এসআর