ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-২ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে মিশর।
তবে ম্যাচ শেষ হওয়ার পর স্কোরলাইনের চেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে রেফারিং ও ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর)-এর কয়েকটি সিদ্ধান্ত।
বিশেষ করে মিশরের একটি গোল বাতিল এবং অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহর পেনাল্টির আবেদন প্রত্যাখ্যান নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে তর্ক-বিতর্ক চলছে।
ম্যাচের শেষদিকে, ২-২ সমতায় থাকা অবস্থায় আর্জেন্টিনার পেনাল্টি এলাকায় ঢোকার সময় সালাহ প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েন।
মিশরের খেলোয়াড়রা পেনাল্টির জোরালো আবেদন জানালেও রেফারি খেলা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। ওই সিদ্ধান্ত নিয়ে মাঠেই অসন্তোষ প্রকাশ করেন মিশরের ফুটবলাররা।
এর কিছুক্ষণ পরই দ্রুত আক্রমণ গড়ে তোলে আর্জেন্টিনা।
সেই আক্রমণ থেকে এনজো ফার্নান্দেজের গোলে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় দলটি। শেষ পর্যন্ত সেই গোলই আর্জেন্টিনাকে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে দেয়।
এর আগে দ্বিতীয়ার্ধে মিশরের একটি গোল ভিএআর পর্যালোচনার পর বাতিল করা হয়।
রিপ্লেতে আগের একটি ফাউলের ঘটনা শনাক্ত হওয়ায় রেফারি গোলটি অনুমোদন দেননি। এই সিদ্ধান্ত নিয়েও মিশরের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।
মিশরের পক্ষের অভিযোগ, গোল বাতিলের ক্ষেত্রে ভিএআর ব্যবহার করা হলেও সালাহর পেনাল্টির আবেদনের ঘটনায় একই মাত্রায় পর্যালোচনা করা হয়নি।
তাদের দাবি, ওই মুহূর্তটি আরও গভীরভাবে যাচাই করা হলে সিদ্ধান্ত ভিন্নও হতে পারত।
ম্যাচ শেষে মিশরের কোচ ও কয়েকজন খেলোয়াড় রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানান। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ম্যাচ কর্মকর্তা কয়েকজনকে হলুদ কার্ড দেখান।
এদিকে ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাগুলো নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
একপক্ষের দাবি, বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলো ম্যাচের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে। অন্যদিকে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মতে, রেফারির সিদ্ধান্ত ফুটবলের নিয়মের মধ্যেই ছিল এবং পেনাল্টি না দেওয়াটা সঠিক সিদ্ধান্ত।
এসআর