[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
২৫ আষাঢ় ১৪৩৩

ফিফার নতুন নিয়মে ফাইনালে ওঠার পথ সহজ আর্জেন্টিনাসহ ৪ দলের

ক্রীড়া ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯ জুলাই ২০২৬ ৭:৩২ পিএম

সংগৃহীত ছবি

চলতি বিশ্বকাপে শীর্ষ বাছাই দলগুলোর নকআউট পর্বের পথ আরও ভারসাম্যপূর্ণ রাখতে ফিফা নতুন একটি ড্র কাঠামো কার্যকর করেছে।

চলতি বিশ্বকাপে শীর্ষ বাছাই দলগুলোর নকআউট পর্বের পথ আরও ভারসাম্যপূর্ণ রাখতে ফিফা নতুন একটি ড্র কাঠামো কার্যকর করেছে।

২০২৫ সালের নভেম্বরে ঘোষিত এই পদ্ধতির মূল উদ্দেশ্য ছিল, শীর্ষ চার বাছাই দল যেন সেমিফাইনালের আগে একে অপরের মুখোমুখি না হয়।


সে সময়ের ফিফা র‌্যাঙ্কিং অনুযায়ী শীর্ষ চার দলে ছিল স্পেন, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড।

নতুন কাঠামো অনুসারে ড্রয়ের সময় দলগুলোকে এমনভাবে দুটি ভিন্ন অংশে রাখা হয়, যাতে তারা নিজেদের গ্রুপে শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পারলে সেমিফাইনালের আগে পরস্পরের বিপক্ষে না পড়ে।


গ্রুপ পর্ব শেষে ঠিক সেটিই ঘটেছে। চার দলই নিজ নিজ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে।

ফলে নকআউটের এই পর্যায়ে তাদের প্রতিপক্ষ হয়েছে তুলনামূলক ভিন্ন চার দল।

কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম, আর্জেন্টিনার সামনে সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স খেলবে মরক্কোর বিপক্ষে এবং ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ নরওয়ে।


এই ড্র পদ্ধতির কারণে চার পরাশক্তির কেউই সেমিফাইনালের আগে একে অপরের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ নেই। একই ধরনের সিডিং কাঠামো আন্তর্জাতিক টেনিসের উইম্বলডন এবং ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলের কিছু প্রতিযোগিতাতেও ব্যবহার করা হয়ে থাকে।


এর আগে ক্লাব বিশ্বকাপেও অনুরূপ বাছাই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছিল। ফিফার লক্ষ্য, নকআউটের শুরুতেই শীর্ষ দলগুলোর লড়াই এড়িয়ে প্রতিযোগিতার শেষভাগ পর্যন্ত বড় দলগুলোর উপস্থিতি নিশ্চিত করা।


যদি কোয়ার্টার ফাইনালে চার ফেবারিট দলই জয় পায়, তাহলে সম্ভাব্য সেমিফাইনালে দেখা যেতে পারে স্পেন-ফ্রান্স এবং আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ডের দুটি হাইভোল্টেজ ম্যাচ।


এদিকে, শীর্ষ দলগুলোর প্রতি ফিফা অতিরিক্ত সুবিধা দেয়—এমন আলোচনা নতুন নয়। সর্বশেষ শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে রেফারিং নিয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানিয়েছে মিশর ফুটবল কর্তৃপক্ষ।


ম্যাচটিতে আর্জেন্টিনা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে তিন গোল করে নাটকীয় জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে।

তবে মিশরের দাবি, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তাদের বিপক্ষে গেছে এবং সেগুলো ম্যাচের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে।


মিশরীয় ফুটবল কর্তৃপক্ষ বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলোর ব্যাখ্যা চাওয়ার পাশাপাশি ওই ম্যাচ পরিচালনাকারী রেফারি দলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

ম্যাচ শেষে মিশরের কোচ হোসাম হাসানও রেফারিং নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ফিফার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।


তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে ফিফার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

এসআর

সম্পর্কিত খবর