[email protected] বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
১৭ আষাঢ় ১৪৩৩

৪০ বছর পর নকআউটে জিতে শেষ ষোলোয় মেক্সিকো

ক্রীড়া ডেস্ক

প্রকাশিত: ১ জুলাই ২০২৬ ২:১৫ পিএম

সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ চার দশকের হতাশা কাটিয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আবারও জয়ের দেখা পেল মেক্সিকো।

স্বাগতিক দলটি ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে শুধু শেষ ষোলোই নিশ্চিত করেনি, ভেঙেছে বিশ্বকাপের নকআউটে টানা ব্যর্থতার দীর্ঘ অধ্যায়ও।

ম্যাচটি নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পর শুরু হয়।

ঝড়-বৃষ্টির কারণে আজতেকা স্টেডিয়ামে খেলা বিলম্বিত হলেও মাঠে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে মেক্সিকো। প্রথমার্ধেই দুই গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় তারা।

বিশ্বকাপে স্বাগতিক হিসেবে মেক্সিকোর আগের আসর ছিল ১৯৮৬ সালে।

সেই আসরে শেষ ষোলোয় বুলগেরিয়াকে হারানোর পর ১৯৯৪ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত টানা সাতটি বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল দলটিকে। এবার সেই দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটাল রাউল হিমিনেজদের দল।

ম্যাচের ২২তম মিনিটে জুলিয়ান কিনিওনেস বাঁ দিক দিয়ে আক্রমণে উঠে শক্তিশালী শটে গোল করে মেক্সিকোকে এগিয়ে দেন।

মাত্র নয় মিনিট পর তারই তৈরি করা সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড রাউল হিমিনেজ।

বল দখলে এগিয়ে ছিল ইকুয়েডর। ম্যাচজুড়ে তাদের দখলে ছিল প্রায় ৫৬ শতাংশ বল। তবে সেই আধিপত্যকে কার্যকর আক্রমণে রূপ দিতে পারেনি দক্ষিণ আমেরিকার দলটি।

তারা মাত্র পাঁচটি শট নিতে সক্ষম হয়, যার একটি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে মেক্সিকো ১৪টি শট নিয়ে তিনটি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয় এবং সেখান থেকেই দুটি গোল আদায় করে নেয়।

যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে ইকুয়েডরের ডিফেন্ডার পিয়েরো হিনকাপিয়ে প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের সময় আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ভিএআরের পরামর্শে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। ফলে ম্যাচ শেষ করেন ১০ জন নিয়ে।

এদিন মেক্সিকোর হয়ে নতুন ইতিহাসও গড়েছেন ১৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডার গিলবার্তো মোরা।

কোচ তাকে শুরুর একাদশে রাখেন, যার ফলে ১৯৫৮ বিশ্বকাপে পেলের পর দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে প্রথম একাদশে খেলার কীর্তি গড়েন তিনি।

শেষ ষোলোতে মেক্সিকোর প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড অথবা ডিআর কঙ্গো। দুই দলের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ীর বিপক্ষে আগামী রোববার মেক্সিকো সিটিতে মাঠে নামবে স্বাগতিকরা।

এসআর

সম্পর্কিত খবর