ম্যাচের প্রথমার্ধে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়লেও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখেছে ব্রাজিল।
দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফেরার পর যোগ করা সময়ে জয়সূচক গোল করে ২-১ ব্যবধানে জাপানকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে কার্লো আনচেলত্তির দল।
শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রাখে ব্রাজিল। তবে রক্ষণাত্মক কৌশলে খেলে জাপান। তৃতীয় মিনিটে ব্রুনো গিমারায়েসের দূরপাল্লার শট প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে বাইরে চলে যায়।
এরপর ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের উদ্দেশে বাড়ানো একটি বল দ্রুত বেরিয়ে এসে মুষ্টিবদ্ধ হাতে ক্লিয়ার করেন জাপানের গোলরক্ষক সুজুকি।
১৬তম মিনিটে জাপান একটি ফ্রি-কিক থেকে সুযোগ তৈরি করলেও ব্রাজিলের রক্ষণভাগ তা সামলে নেয়। কর্নার থেকে আসা বল কাসেমিরো হেড করে বিপদমুক্ত করেন।
ম্যাচের ২৯তম মিনিটে দ্রুতগতির পাল্টা আক্রমণে এগিয়ে যায় জাপান।
কাইশু সানো একক নৈপুণ্যে কয়েকজনকে কাটিয়ে ডি-বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে বল জালে পাঠিয়ে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। এই ব্যবধান নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ব্রাজিল।
একের পর এক সুযোগ তৈরি করার পর ৫৬তম মিনিটে সমতা ফেরান কাসেমিরো। গ্যাব্রিয়েল মাগালাইয়েসের ক্রসে শক্তিশালী হেডে গোল করে ম্যাচে ১-১ সমতা আনেন তিনি।
সমতায় ফেরার পরও আক্রমণের ধার বজায় রাখে সেলেসাওরা। নির্ধারিত সময় শেষে ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ালে নাটকীয় মুহূর্ত আসে যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে।
ব্রুনো গিমারায়েসের বাড়ানো বল থেকে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির নেওয়া কোনাকুনি শট পোস্টে লেগে জালে জড়ায়। সেই গোলেই ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে ব্রাজিল।
এই জয়ে নকআউট পর্বে জায়গা করে নিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
এসআর