আন্তর্জাতিক ফুটবলের হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে শক্তিশালী জার্মানি ও ফিনল্যান্ড। ম্যাচ শুরুর ঠিক আধঘণ্টা আগে দুই দলের অফিশিয়াল লাইন-আপ বা প্রথম একাদশ ঘোষণা করা হয়েছে।
আজকের ম্যাচে জার্মানির আক্রমণভাগের মূল ভরসা হিসেবে থাকছেন বায়ার্ন মিউনিখের তারকা জামাল মুসিয়ালা। তাঁর সঙ্গে আক্রমণভাগ সামলাবেন ফ্লোরিয়ান ভার্টজ ও ডেনিজ উন্দাভ। তবে জার্মানি দলে আজকের সবচেয়ে বড় চমক তরুণ ফুটবলার লেনার্ট কার্ল। ঘরোয়া ফুটবলে দুর্দান্ত পারফর্ম করে কোচ ইউলিয়ান নাগেলসম্যানের নজর কেড়ে একাদশে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।
দলের মাঝমাঠ ও রক্ষণভাগ সামলানোর মূল দায়িত্বে থাকছেন অভিজ্ঞ জশুয়া কিমিক। তাঁর সঙ্গে রক্ষণে দেয়াল হয়ে দাঁড়াবেন জোনাথান টা ও নিকো শ্লটারবেক। লেফট-ব্যাকে সুযোগ পেয়েছেন তরুণ নাথানিয়েল ব্রাউন। মাঝমাঠে ফেলিক্স মেচা ও আলেকসান্ডার পাভলোভিচের মতো তরুণ প্রতিভাদের ওপর ভরসা রেখেছে জার্মানি। আর গোলপোস্টের নিচে দেখা যাবে অভিজ্ঞ অলিভার বাউম্যানকে।
বেঞ্চেও জার্মানির শক্তির কমতি নেই। আন্তোনিও রুডিগার, লেরয় সানে ও লিওন গোরেটজকার মতো তারকারা প্রথমার্ধে সাইডবেঞ্চে থাকছেন। ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে কোচ তাঁদের যেকোনো সময় মাঠে নামাতে পারেন।
অন্যদিকে, জার্মানির মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে রুখে দিতে নিজেদের সেরা একাদশই নামিয়েছে ফিনল্যান্ড। দলের গোলপোস্টের নিচে অধিনায়কের আর্মব্যান্ড পরে দাঁড়াবেন বায়ার লেভারকুসেনের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক লুকাস হ্রাডেচকি। রক্ষণভাগে থাকছেন নিকোলাই আলহো, ভিলে কোসকি ও টনি মিয়েত্তিনেন। মাঝমাঠ সামলানোর দায়িত্বে রবিন লড ও লিও ভাল্টাদের মতো ফুটবলাররা। আর ফিনল্যান্ডের হয়ে জার্মানির রক্ষণভাগ ভাঙার মূল দায়িত্বে থাকবেন বেঞ্জামিন ক্যায়লম্যান ও টোপি কেসকিনেন।
কাগজে-কলমে জার্মানি এই ম্যাচে এগিয়ে থাকলেও, হ্রাডেচকির ফিনল্যান্ড যেকোনো বড় দলকে আটকে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। ফুটবলপ্রেমীরা এখন একটি জমজমাট লড়াইয়ের অপেক্ষায় আছেন।
দুই দলের একাদশ একনজরে:
জার্মানি একাদশ: অলিভার বাউম্যান (গোলরক্ষক), জশুয়া কিমিক, জোনাথান টা, ডেনিজ উন্দাভ, নিকো শ্লটারবেক, ফেলিক্স মেচা, জামাল মুসিয়ালা, ফ্লোরিয়ান ভার্টজ, আলেকসান্ডার পাভলোভিচ, নাথানিয়েল ব্রাউন, লেনার্ট কার্ল
ফিনল্যান্ড একাদশ: লুকাস হ্রাডেচকি (গোলরক্ষক), নিকোলাই আলহো, রবিন লড, বেঞ্জামিন ক্যায়লম্যান, ভিলে কোসকি, টনি মিয়েত্তিনেন, অ্যাডাম মারখিয়েভ, লিও ভাল্টা, আনসি সুহোনেন, টোপি কেসকিনেন, রায়ান মাহুতা।
এসআর