হিজরি ১৪৪৮ সনের হজকে সামনে রেখে পূর্ণাঙ্গ কার্যপরিকল্পনা বা রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
রোববার (৭ জুন) মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়।
এর আগে গত ২৯ মে সৌদি আরবের জেদ্দায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ২০২৭ সালের হজ কার্যক্রমের বিভিন্ন ধাপ ও সময়সীমা ঘোষণা করে সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে রোডম্যাপ তুলে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। তার হাতে হজের এ পরিকল্পনা তুলে দেন সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের সহকারী মন্ত্রী ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ।
প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হজযাত্রী নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
একই বছরের ৮ নভেম্বর বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক হজ চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে।
হজযাত্রীদের জন্য ভিসা প্রদান কার্যক্রম শুরু হবে ২০২৭ সালের ২৮ জানুয়ারি। আর পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে প্রথম ফ্লাইট ছেড়ে যাবে ৮ এপ্রিল। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২০২৭ সালের হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে ১৫ মে, যা ৯ জিলহজের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
সৌদি আরবে হজসংশ্লিষ্ট ব্যয় নুসুক মাসার প্ল্যাটফর্মের ই-ওয়ালেটে জমা দেওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে চলতি বছরের ১৫ জুলাই থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এছাড়া তাঁবু, আবাসন, পরিবহন, ক্যাটারিংসহ বিভিন্ন সেবা প্যাকেজ গ্রহণের জন্য নুসুক মাসারের মাধ্যমে চুক্তি স্বাক্ষর কার্যক্রম শুরু হবে ২৯ জুলাই ২০২৬ এবং শেষ হবে ২৩ জানুয়ারি ২০২৭।
হজযাত্রীদের তথ্য নুসুক মাসার সিস্টেমে আপলোডের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ আগস্ট ২০২৬ থেকে ২৮ জানুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত।
অন্যদিকে হজ ফ্লাইট পরিচালনাকারী এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গে প্রয়োজনীয় চুক্তি ও নথিপত্র সম্পন্ন করতে হবে ২৯ জুলাই থেকে ৮ নভেম্বরের মধ্যে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী হজের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও দায়িত্বপ্রাপ্তদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
এসআর