[email protected] সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ইসলামে সন্তানের অধিকার ও মা-বাবার দায়িত্ব: একটি ধর্মীয় নির্দেশনা

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮ জুন ২০২৬ ১:২০ পিএম

সংগৃহীত ছবি

সন্তান আল্লাহর শ্রেষ্ঠ নেয়ামত: মা-বাবার জীবনে সন্তানের চেয়ে বড় কোনো আনন্দ নেই; সন্তান শৈশবে চোখের শীতলতা, বার্ধক্যের সঙ্গী এবং

 মৃত্যুর পর মা-বাবার জন্য সওয়াব পৌঁছানোর একমাত্র মাধ্যম।

​জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষার নির্দেশ: সন্তানকে জোরজবরদস্তি ছাড়া ইসলামের আলোয় গড়ে তোলা মা-বাবার প্রধান কর্তব্য; পবিত্র কোরআনের সূরা আত-তাহরিমে আল্লাহ মুমিনদের নির্দেশ দিয়েছেন তারা যেন নিজেদের এবং পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করেন।

​আদর্শ মা নির্বাচন ও গর্ভবতী মায়ের যত্ন: সন্তানের অধিকার শুরু হয় জন্মের আগেই, তাই বিয়ের সময় একজন আদর্শ মা হওয়ার গুণসম্পন্ন জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়া উচিত; এছাড়া গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মায়ের স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় প্রয়োজনে রমজানের রোজা পরে কাজা করার শিথিলতা দিয়েছে ইসলাম।

​জন্মের পর শিশুর মৌলিক অধিকার: শিশুর জন্মের পর সুন্দর নাম রাখা, আকিকা করা এবং পুষ্টিকর খাদ্য, বস্ত্র ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা বাবার দায়িত্ব; কোরআনের নির্দেশ অনুযায়ী মায়ের দুধ পানের পূর্ণ সময়সীমা দুই বছর।

​স্নেহ ও ভালোবাসার তাগিদ: মহানবী (সা.) শিশুদের ভালোবাসার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন এবং বলেছেন, যে ছোটদের স্নেহ করে না সে আমাদের দলভুক্ত নয়; সন্তানদের চুমু খাওয়া ও স্নেহ করা আল্লাহর দয়া পাওয়ার অন্যতম মাধ্যম।

​ভরণপোষণ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের নিশ্চয়তা: সন্তানের পেছনে খরচ করাকে ইসলামে অন্যতম সেরা দান বলা হয়েছে; এমনকি বিবাহবিচ্ছেদের মতো পরিস্থিতিতেও সন্তানের শিক্ষা, চিকিৎসা ও যাবতীয় খরচ বহন করা বাবার জন্য বাধ্যতামূলক এবং জন্মের দিন থেকেই শিশু উত্তরাধিকারের আইনি অধিকার পায়।

​সন্তানদের মাঝে সমতা ও ন্যায়বিচার: সব সন্তানের প্রতি সমান আচরণ করা জরুরি; উপহার, অর্থ বা ভালোবাসা প্রকাশের ক্ষেত্রে কোনো এক সন্তানকে অন্য জনের ওপর প্রাধান্য দেওয়া যাবে না, কারণ সন্তান আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি আমানত।

এসআর

সম্পর্কিত খবর