[email protected] বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর অনুসরণ: ঈদুল আজহার দিনের ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত আমল

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৭ মে ২০২৬ ১০:৫৬ এএম

সংগৃহীত ছবি

মুসলিম উম্মাহর জন্য ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর এক আনন্দের দিন ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। এই বিশেষ দিনটি শুধু উৎসবের নয়, বরং ইবাদতেরও অংশ এবং রাসুলুল্লাহ (সা.) ঈদের

 দিন বেশ কিছু আমল করতেন যা আমাদের জন্য সুন্নত। ঈদুল আজহার দিনের এই গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত আমলগুলোর মধ্যে প্রথমেই রয়েছে ভোরে ঘুম থেকে ওঠা এবং মেসওয়াকসহ গোসল করে সুন্নত পদ্ধতিতে পবিত্রতা অর্জন করা।

এরপর ঈদের খুশির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে নিজের সংগ্রহে থাকা সবচেয়ে ভালো ও পরিষ্কার পোশাক পরিধান করা এবং ঈদগাহে যাওয়ার আগে সুগন্ধি বা আতর ব্যবহার করাও সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। ঈদুল ফিতরের মতো না খেয়ে ঈদুল আজহার দিন নামাজের আগে কিছু না খাওয়া এবং নামাজ শেষে নিজের কোরবানির পশুর গোশত দিয়ে প্রথম খাবার গ্রহণ করা একটি বিশেষ সুন্নত।

কোনো শারীরিক অক্ষমতা না থাকলে পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া এবং বাসা থেকে ঈদগাহে যাওয়ার পুরো পথ জুড়ে উচ্চস্বরে তাকবির (আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ) পাঠ করা সওয়াবের কাজ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কোনো কারণ ছাড়া মসজিদে না পড়ে খোলা ময়দান বা ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করা এবং যাওয়ার সময় এক রাস্তা দিয়ে গিয়ে ফেরার সময় অন্য রাস্তা ব্যবহার করাও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর অন্যতম সুন্নত, যা বেশি মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করে।

সবশেষে ঈদের নামাজ সম্পন্ন হওয়ার পর একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করা উচিত, যেখানে সাহাবায়ে কেরামরা সাধারণত ‘তাকাব্বাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম’ (আল্লাহ আমাদের ও আপনার ইবাদত কবুল করুন) বলে একে অপরকে অভিনন্দন জানাতেন।

এসআর

সম্পর্কিত খবর