[email protected] শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৪ ফাল্গুন ১৪৩২

সঠিক পদ্ধতিতে জাকাত হিসাব করবেন যেভাবে: একটি গাইডলাইন

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৭:৪৮ পিএম

ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম একটি স্তম্ভ হলো জাকাত। এটি কেবল দান নয়, বরং

 সম্পদশালীদের সম্পদে দরিদ্রদের অধিকার। সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে জাকাত আদায় করা প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের জন্য ফরজ।


​জাকাত কার ওপর ফরজ? (নেসাব)
​কোনো মুসলিম ব্যক্তির কাছে যদি শরিয়ত নির্ধারিত সীমার বেশি সম্পদ এক চন্দ্রবছর (হিজরি বছর) স্থায়ী থাকে, তবে তাকে জাকাত দিতে হয়। জাকাতের নেসাব বা সীমানাটুকু হলো:
​স্বর্ণ: ৭ তোলা বা ৮৭.৪৫ গ্রাম।
​রৌপ্য: ৫২.৫ তোলা বা ৬১২.৩৫ গ্রাম।


​নগদ অর্থ বা ব্যবসায়িক পণ্য: উপরে উল্লিখিত স্বর্ণ বা রৌপ্যের সমপরিমাণ মূল্য।
​জাকাতযোগ্য ৪ ধরনের সম্পদ
​মূলত বর্ধনশীল সম্পদের ওপর জাকাত দিতে হয়। এগুলো হলো:


​স্বর্ণ
​রৌপ্য
​নগদ অর্থ (ব্যাংক ব্যালেন্স বা সঞ্চয়)
​ব্যবসায়িক পণ্য (বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা মালামাল)
​হিসাব করার নিয়ম
​আপনার কাছে থাকা মোট জাকাতযোগ্য সম্পদের বর্তমান বাজারমূল্য হিসাব করে তার ২.৫ শতাংশ (২.৫%) বা ৪০ ভাগের ১ ভাগ জাকাত হিসেবে প্রদান করতে হবে।
​বিশেষ দ্রষ্টব্য: > * জমি, ঘরবাড়ি বা ব্যবহারের গাড়ির ওপর জাকাত নেই (যদি সেগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে না হয়)।


​ভাড়ায় চালিত বাড়ি বা গাড়ির ভাড়ার টাকা যদি নেসাব পরিমাণ হয়, তবে সেই জমানো টাকার ওপর জাকাত আসবে।
​বছরের মাঝামাঝি সময়ে অর্জিত সম্পদও বছর শেষে মোট হিসাবের সাথে যুক্ত হবে।

​পবিত্র কুরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী জাকাত আদায়ের মাধ্যমে সম্পদ পবিত্র হয় এবং সমাজে অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় থাকে। সঠিক সময়ে এবং সঠিক পরিমাণে জাকাত আদায় করা প্রত্যেক সামর্থ্যবানের ধর্মীয় দায়িত্ব।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর