রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, রহমত ও মাগফিরাতের এক অনন্য সুযোগ। এই বরকতময় মাসের
সর্বোচ্চ সওয়াব ও উপকারিতা পেতে হলে একজন মুমিনের উচিত আগেভাগেই নিজেকে প্রস্তুত করে নেওয়া।
রমজানের প্রস্তুতির মূল দিকনির্দেশনা:
জ্ঞানার্জনের প্রস্তুতি: রোজা, তারাবিহ, জাকাত ও ফিতরার সঠিক মাসআলা-মাসায়েল জেনে নেওয়া। শুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াত শেখা বা অর্থসহ পাঠের পরিকল্পনা করা।
ব্যক্তিগত রুটিন: ইবাদত, জিকির এবং দৈনন্দিন কাজের মধ্যে সমন্বয় করে একটি বাস্তবসম্মত রুটিন তৈরি করা।
পারিবারিক ও সামাজিক প্রস্তুতি: পরিবারের সবাইকে নিয়ে সাহরি, ইফতার ও তিলাওয়াতের পরিবেশ তৈরি করা। এছাড়া সমাজকে অনৈতিকতা মুক্ত রাখতে সচেতন হওয়া।
গৃহিণীদের পরিকল্পনা: রান্নাবান্না ও ঘরের কাজ আগে গুছিয়ে রাখা, যাতে ইবাদতে বিঘ্ন না ঘটে।
চাকরিজীবী ও শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব: কাজের ফাঁকে জিকির ও দোয়ায় মশগুল থাকা এবং শিক্ষার্থীরা এই সময়কে কুরআন শিক্ষা বা আত্মোন্নয়নমূলক কাজে লাগানো।
ব্যবসায়ীদের প্রতি সতর্কবার্তা: রমজানে পণ্য মজুতদারি বা অতিরিক্ত মুনাফা করা গুনাহের কাজ। বরং রোজাদারদের সুবিধার্থে পণ্যের দাম না বাড়িয়ে সহযোগিতা করাই হবে প্রকৃত সওয়াবের পথ।
হাদিসের সতর্কবাণী: ‘যে ব্যক্তি পণ্য মজুত করে, সে গুনাহগার।’ (মুসলিম ১৬০৫)
উপসংহার: রমজান এমন এক অতিথি যা প্রস্তুত হৃদয়ে বরকত নিয়ে আসে। তাই জ্ঞান, আমল ও চরিত্রের পরিবর্তনের মাধ্যমে এই পবিত্র মাসের জন্য আমাদের এখনই প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।
এসআর
মন্তব্য করুন: