[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

রিমান্ডে পুলিশকে নতুন তথ্য দিলেন সাবেক এমপি গাজী নজরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১:৫৯ এএম

সংগৃহীত ছবি

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মামলায় দুই দফায় ৮ দিনের রিমান্ড

 শেষে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার রিমান্ড শেষ তাকে আদালতে হাজির করা হলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

​মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন আদালতে জানান, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনাটি নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য পাওয়া গেছে।

​তদন্ত কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যমতে, মামলার বাদী ও মরিয়মের বাবা এসএম মাসুম বিল্লাহ সম্পর্কে গাজী নজরুলের ভাগনে হন। নজরুল ঢাকায় এলে মরিয়মের বাবার বাসায় অবস্থান করতেন এবং সেখান থেকেই সংসদীয় কাজ পরিচালনা করতেন। এই সূত্রেই মরিয়মের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। গত ১৭ জুন ধর্মীয় নিয়মে মরিয়মকে মৌখিকভাবে বিয়ে করার পর নিজ এলাকায় বিয়েটি রেজিস্ট্রি করেন তিনি। পরবর্তীতে শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনে গাজী নজরুলের প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের সঙ্গেই থাকতেন মরিয়ম। সেখানে বেশ কিছু দিন মরিয়মকে শোবার ঘরের পাশের বারান্দাতেও ঘুমাতে হয়েছিল।

​আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান জামিনের আবেদন করে জানান, শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ দুই দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করলেও আত্মহত্যার প্ররোচনার সঙ্গে আসামির সম্পৃক্ততার কোনো তথ্যপ্রমাণ দিতে পারেনি। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান।

​উল্লেখ্য, গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাট থেকে মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই রাতেই গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে মরিয়মের বাবা তিনজনকে আসামি করে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা করেন। এর আগে গত ২০ জুলাই মরিয়মের সঙ্গে গাজী নজরুলের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তিনি তরুণীকে নিজ স্ত্রী বলে দাবি করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে নৈতিক স্খলনের দায়ে ২২ জুলাই জামায়াতে ইসলামী থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়।

এসআর

সম্পর্কিত খবর