জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস।
ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও হাতাহাতির একপর্যায়ে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যান বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী চলাকালে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন দাবি জানিয়ে স্লোগান ও মিছিল শুরু করেন।
এতে অনুষ্ঠানস্থলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হলে পরিস্থিতি দ্রুত সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষের সময় দুই পক্ষই ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।
এ ঘটনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) মো. রিয়াজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আব্দুল আলিম আরিফ, ছাত্রশক্তি ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এছাড়া জবি প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক কামরুজ্জামানও আহত হন। তবে আহতদের সংখ্যা, পরিচয় ও চিকিৎসার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর পুরো ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন থাকতে দেখা যায়।
বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ছাত্রদল কিংবা ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সংঘর্ষের কারণ এবং ঘটনার বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে
এসআর