[email protected] শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘিরে অপরাধ দমনে দুটি সেনাক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০২৬ ৬:১৯ পিএম

সংগৃহীত ছবি

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আশপাশের পাহাড়ি এলাকায় অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দুটি সেনাক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

রামু সেনানিবাসে থাকা ১০ পদাতিক ডিভিশনের অধীনে ক্যাম্প দুটির কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

 

একই সঙ্গে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া মেরামত ও পুনর্নির্মাণের পাশাপাশি নিরাপত্তা জোরদারে সৌরবিদ্যুৎচালিত বাতি, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং ওয়াচটাওয়ার বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাশের পাহাড়ি এলাকাগুলোতে নিয়মিত অপহরণের ঘটনা ঘটছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে লোকজনকে ধরে এনে এসব এলাকায় আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্লিষ্টদের মতামতের ভিত্তিতে সেখানে দুটি সেনাক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

তিনি আরও জানান, এর আগে কক্সবাজারে মাদকবিরোধী একটি বৈঠকেও রঙ্গিখালীসহ দুটি এলাকায় সেনাক্যাম্প স্থাপনের বিষয়টি আলোচনায় এসেছিল। ওইসব এলাকায় সেনাবাহিনীর স্থায়ী উপস্থিতি থাকলে অপহরণসহ অন্যান্য অপরাধ মোকাবিলা আরও কার্যকর হবে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।

 

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ক্যাম্পগুলোতে মাদক ব্যবসা, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার এবং বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতার মতো সমস্যা রয়েছে। এ ছাড়া অস্ত্রসহ নানা ধরনের অপরাধও সংঘটিত হচ্ছে। এসব নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।

 

নতুন সেনাক্যাম্প স্থাপন ও অবকাঠামোগত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের মাধ্যমে ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকাগুলোতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

এসআর

সম্পর্কিত খবর