বহর আধুনিকায়ন ও আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহের চুক্তি করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাইজার সোহেল আহমেদ এবং এয়ারবাস ইন্ডিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক যুরগেন ওয়েস্টারমেয়ারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাইজার সোহেল আহমেদ বলেন, এয়ারবাসের কাছ থেকে উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত কোনো আকস্মিক সিদ্ধান্ত নয়।
পরিচালনা পর্ষদের নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ এবং প্রতিষ্ঠানের আর্থিক কৌশল পর্যালোচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এ৩৫০-৯০০ উড়োজাহাজ দীর্ঘ দূরত্বের আন্তর্জাতিক রুটে বেশি যাত্রী পরিবহণের পাশাপাশি জ্বালানি খরচ ও কার্বন নিঃসরণ কমাতে সহায়তা করবে।
অন্যদিকে এ৩২১নিও উড়োজাহাজ ব্যবহারের মাধ্যমে আঞ্চলিক রুটে বিমানের সক্ষমতা বাড়বে এবং নতুন গন্তব্যে ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে। চলতি বছর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স মোট ৩৫টি নতুন উড়োজাহাজের জন্য ক্রয়াদেশ দিয়েছে বলেও জানান তিনি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, কোনো দেশকে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে নয়, বাংলাদেশের প্রয়োজন ও ব্যবসায়িক স্বার্থ বিবেচনা করেই এয়ারবাসের সঙ্গে এই চুক্তি করা হয়েছে।
নতুন উড়োজাহাজগুলো দেশের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এয়ারবাস কর্তৃপক্ষকে নির্ধারিত সময়ের আগেই অন্তত একটি উড়োজাহাজ সরবরাহের অনুরোধ জানান।
তিনি বলেন, ২০৩০ সালের আগেই একটি নতুন উড়োজাহাজ পাওয়া গেলে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে বাড়তে থাকা যাত্রী চাহিদা পূরণে সেটি দ্রুত কাজে লাগানো সম্ভব হবে।
এসআর