[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
২২ আশ্বিন ১৪৩৩

শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় কোনো ছাড় নয়: ডিসি ফরিদা খানম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৭ অক্টোবর ২০২৬ ৭:৩৬ পিএম

সংগৃহীত ছবি

শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনো

 ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ও ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম। পূজামণ্ডপে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, উসকানি, ইভটিজিং, মাদক ও দুষ্কৃতকারীদের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

​বুধবার সাভার উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে সাভারের পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও সার্বিক প্রস্তুতি বিষয়ক সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক এসব কথা বলেন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন (বাবু)। সভায় জানানো হয়, এ বছর সাভার উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভা মিলে মোট ২৩৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।

​ডিসি ফরিদা খানম প্রতিমা নির্মাণ থেকে শুরু করে বিসর্জন পর্যন্ত সমন্বিত নিরাপত্তা বজায় রাখার নির্দেশনা দেন। গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ মণ্ডপগুলোতে বিশেষ নজরদারি, আইপি ক্যামেরা স্থাপন, ভিডিও ধারণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী রিচার্জেবল আইপি ক্যামেরা বসিয়ে তা ইউএনও কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট থানায় সংযুক্ত করার নির্দেশ দেন। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানো রোধে আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া, ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং আজান ও নামাজের সময় মাইক ও বাদ্যযন্ত্রের শব্দ নিয়ন্ত্রণের ওপর জোর দেন তিনি।

​প্রতিটি মণ্ডপে বাধ্যতামূলকভাবে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, ব্যাকআপ আলো ও জেনারেটরের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। বিসর্জনস্থলে ফায়ার সার্ভিস, নৌপুলিশ ও ডুবুরি দল প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি প্রতিমা বিসর্জনের পর মণ্ডপ বা মন্দিরে কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক স্মরণ করিয়ে দেন, পূজার নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেবল উৎসবের দিনগুলোতেই নয়, বরং ১০ অক্টোবর ভোরে মহালয়া থেকেই শুরু করতে হবে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর