জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের দায়িত্ব পাওয়ার সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহাদী আমিন।
জাইমা রহমানের নিয়োগ নিয়ে বিভিন্ন গুজবের প্রসঙ্গ টেনে মাহাদী আমিন বলেন, প্রয়োজনীয় পেশাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই তিনি জাতিসংঘের এই দায়িত্ব পেয়েছেন। তার ভাষ্য, এ নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারের কোনো ধরনের প্রভাব বা সম্পৃক্ততা নেই।
মাহাদী আমিন বলেন, জাইমা রহমান পি-৩ পর্যায়ের একটি পদে নিয়োগ পেয়েছেন, যেখানে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কয়েক বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাগত অভিজ্ঞতা ওই পদের প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, জাইমা নিজের দক্ষতা ও পেশাগত যোগ্যতার মাধ্যমে জাতিসংঘে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। এ নিয়োগকে সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে দেখার কোনো কারণ নেই।
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জাইমা রহমান সেখানে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে আইনি বিষয়গুলো দেখভাল করবেন। ওই কার্যালয়ে বিভিন্ন পদে মোট ৪০ জন কর্মকর্তা রয়েছেন, যাদের মধ্যে ছয়জন বাংলাদেশি।
জাইমা রহমান লন্ডনের কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং পরে যুক্তরাজ্যে বার-অ্যাট-ল সম্পন্ন করেন। ২০২৬ সালের জুনে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপের পরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হওয়ার তথ্য বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণ, বিভিন্ন কর্মসূচি, বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠক এবং নিউইয়র্ক সফরের সার্বিক বিষয় তুলে ধরতেই এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।
এসআর