২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা ৫০ শতাংশ কমানোর লক্ষ্য
পুনর্ব্যক্ত করার পাশাপাশি ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন অনুমোদনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে জাতীয় বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী জানান, বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ এআই-ভিত্তিক গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, দুর্ঘটনার পর দ্রুত জরুরি সেবা নিশ্চিতকরণ এবং পথচারীদের নিরাপত্তা জোরদারে কাজ করছে। 'সেইফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ' ও আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চার আলোকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্ত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সড়ক নিরাপত্তাকে জাতীয় রাজনৈতিক অগ্রাধিকার উল্লেখ করে তিনি টেকসই সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করার আশ্বাস দেন।
উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন সেতুমন্ত্রী, যেখানে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ শব্বির হাসান খান। পাশাপাশি অনুষ্ঠিতব্য সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক একটি বহুখাতভিত্তিক সাইড ইভেন্টে সেতুমন্ত্রীর যৌথ-সভাপতির দায়িত্ব পালনের কথা রয়েছে।
এসআর