মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট গঠন ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৯ জুলাই) মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে সিনিয়র সহকারী সচিব রাশিদা আক্তারের স্বাক্ষর রয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, লাইসেন্সধারী রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান আইন, ২০১৩, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) আইন, ২০২৩ এবং সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধান মেনে চলা বাধ্যতামূলক।
তবে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র গৃহীত হয়েছে।
এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩-এর ১৩ ধারা অনুযায়ী জনস্বার্থে ৪৯টি এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।
লাইসেন্স হারানো প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউনিক ইস্টার্ন (প্রা.) লিমিটেড, অরবিটাল এন্টারপ্রাইজ, শাহীন ট্রাভেলস, ইরভিং এন্টারপ্রাইজ, হেইডোরি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, রাব্বি ইন্টারন্যাশনাল, জাহরাত অ্যাসোসিয়েট, ফোর সাইট ইন্টারন্যাশনাল, আকাশ ভ্রমণ লিমিটেড, ইউনাইটেড এক্সপোর্ট লিমিটেড, সাদিয়া ইন্টারন্যাশনাল, এলিগ্যান্টস ওভারসিজ, মিডওয়ে ওভারসিজ, মদিনা ওভারসিজ, আল-খামিস ইন্টারন্যাশনাল, নিউ এজ ইন্টারন্যাশনাল, গ্যালাক্সি করপোরেশন, সুলতান ওভারসিজ, প্রভাতী ইন্টারন্যাশনাল, আহমেদ ইন্টারন্যাশনাল, নাতাশা ওভারসিজ, জান্নাত ওভারসিজ, রুবেল বাংলাদেশ লিমিটেড, বিএনএস ওভারসিজ লিমিটেড, ব্রাদার্স ইন্টারন্যাশনাল, ইম্পেরিয়াল রিসোর্সেস লিমিটেড, পি.আর. ওভারসিজ লিমিটেডসহ মোট ৪৯টি প্রতিষ্ঠান।
এর আগে এসব রিক্রুটিং এজেন্সি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর অনুমোদনপ্রাপ্ত ছিল।
মন্ত্রণালয়ের নতুন সিদ্ধান্তের ফলে তারা আর এ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।
এসআর