দেশের উত্তরাঞ্চলে মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকার কারণে আগামী পাঁচদিন সারা দেশে বৃষ্টিপাতের
প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এই সময়ে দেশের কিছু কিছু এলাকায় মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার (২০ জুলাই) আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুকের দেওয়া এক পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে এবং সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে। এই সময়ে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার বার্তায় জানানো হয়েছে, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বৃষ্টি পাতের সম্ভাবনা রয়েছে এবং তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।
আগামী ২৩ ও ২৪ জুলাই সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসও প্রায় একই রকম থাকবে। এই দুই দিন খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তবে এই সময়ে বিশেষ করে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া আগামী পাঁচদিন পার হওয়ার পরও দেশে বৃষ্টিপাতের এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এসআর