স্ত্রী ও সদ্যোজাত সন্তানকে হারিয়ে গভীর শোকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা মো. জনি আলী (৩২)।
পরিবারের ওপর নেমে আসা এই মর্মান্তিক ঘটনায় মানবিক পদক্ষেপ নিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।
পরিবারের সদস্যদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জনি আলীর স্ত্রী শারমিন গত বৃহস্পতিবার সন্তান জন্ম দেন। তবে জন্মের কিছু সময় পরই নবজাতক শিশুটির মৃত্যু হয়। পরে শারমিনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন শুক্রবার তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর খবর কারাগার কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ফারুক আহমেদ বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। পরে কারা অধিদপ্তরের নির্দেশনায় জনি আলীকে তার প্রয়াত স্ত্রীকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ দেওয়া হয়।
এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে কারাগারের জেলার, ডেপুটি জেলারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেন বলে জানা গেছে।
শোকাহত জনি আলী বলেন, তিনি তার স্ত্রী ও নবজাতক সন্তানের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করছেন। তিনি জানান, বর্তমানে তার দুটি সন্তান রয়েছে এবং তাদের নিয়েই ভবিষ্যতের পথ চলতে হবে।
কারা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বন্দির পারিবারিক এই বিপর্যয়কে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনাও জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।
এসআর