[email protected] শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩

গরম পানিতে কি ত্বকে দ্রুত বলিরেখা পড়ে? জানুন বিশেষজ্ঞদের মতামত

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ৯:২৮ এএম

সংগৃহীত ছবি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং জনমনে বহুল প্রচারিত একটি ধারণা হলো—গরম পানি দিয়ে

 মুখ ধুলে ত্বকে অকাল বার্ধক্য বা বলিরেখা দেখা দেয়। তবে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, গরম পানি সরাসরি ত্বকে বার্ধক্যের মূল কারণ নয়, তবে এর ভুল ব্যবহার ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

​ত্বকের সুরক্ষা ও গরম পানির প্রভাব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ নিচে তুলে ধরা হলো:

​গরম পানি ত্বকের কী ক্ষতি করে: ত্বকের ওপরের স্তরে থাকা প্রাকৃতিক তেল ও লিপিড আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহার করলে এই সুরক্ষাবান্ধব তেল ধুয়ে যায়। ফলে ত্বক শুষ্ক, রুক্ষ ও সংবেদনশীল হয়ে পড়ে এবং ত্বকে টানটান ও জ্বালাপোড়া ভাব দেখা দেয়।

​বলিরেখা ও বার্ধক্যের আসল কারণ: বয়সের ছাপ পড়া প্রধানত বংশগতি, শারীরিক বয়স ও সূর্যের অতিবেগুনি (UV) রশ্মির ওপর নির্ভর করে। গরম পানি সরাসরি বলিরেখা তৈরি না করলেও, ত্বকের আর্দ্রতা হারিয়ে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে গেলে সূক্ষ্ম রেখাগুলো (Fine lines) আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

​পানির আদর্শ তাপমাত্রা: মুখ ধোয়ার জন্য অতিরিক্ত গরম বা অতিমাত্রায় ঠান্ডা পানির প্রয়োজন নেই। হালকা গরম বা ঈষৎ উষ্ণ (কুসুম গরম) পানি ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ। গোসলের জন্য প্রায় ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট (৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) তাপমাত্রা সহনীয় ও উপযোগী।

​ঠান্ডা পানির ধারণা: অনেকেই মনে করেন ঠান্ডা পানি লোমকূপ (Pores) বন্ধ করে বা বার্ধক্য রোধ করে, যা সঠিক নয়। লোমকূপ দরজার মতো খোলে বা বন্ধ হয় না। ঠান্ডা পানি কেবল সাময়িক ফোলাভাব কমাতে ও সতেজতা দিতে পারে।

​ত্বকের সঠিক যত্ন ও পরামর্শ:

​মুখ খুব বেশি সময় ধরে বা জোরে ঘষে পরিষ্কার করা উচিত নয়।

​মুখ ধোয়ার পর তোয়ালে দিয়ে শক্ত করে না মুছে আলতো করে চেপে পানি শুকাতে হবে।

​ত্বক সামান্য আর্দ্র থাকা অবস্থাতেই ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত।

এসআর

সম্পর্কিত খবর