[email protected] শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
২৪ আশ্বিন ১৪৩৩

সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে প্রতিদিনের খাবারে যে ৩ নিয়ম মেনে চলা জরুরি

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯ অক্টোবর ২০২৬ ৮:৫৭ এএম

সংগৃহীত ছবি

সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা মানে কেবল ওজন কমানো বা কঠোর কোনো ডায়েট মেনে চলা নয়; এটি

 মূলত প্রতিদিনের সঠিক খাদ্য নির্বাচনের ওপর নির্ভর করে। স্বাস্থ্যকর জীবনের জন্য প্রতিটি খাবারের ক্ষেত্রে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

​ভারতীয় পুষ্টিবিদ অঞ্জলি মুখার্জি জানান, সুস্থ জীবনের জন্য প্রতিদিন সকালে মাত্র ১০ মিনিট সময় নিয়ে প্রাতরাশ, দুপুরের খাবার ও নৈশভোজের পরিকল্পনা করা উচিত। এই সহজ অভ্যাসটি প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান বজায় রাখতে এবং প্রক্রিয়াজাত বা অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়াতে সহায়তা করে। সম্প্রতি এক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে তিনি খাবারের তিনটি মূল নিয়ম ও সহজ পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেছেন:

​১. সকালের পুষ্টিকর সূচনা: দিনের শুরুতেই কয়েক গ্লাস পানি পান করা উচিত। প্রাতরাশে আমিষভোজীদের জন্য ডিম এবং নিরামিষভোজীদের জন্য অঙ্কুরিত শস্য (স্প্রাউটস) সেরা পছন্দ হতে পারে। এর সঙ্গে এক গ্লাস তাজা সবজির জুস খাওয়া যেতে পারে।

​২. দুপুরের খাবার ও বিকেলের নাশতা: দুপুরের খাবারে আটার রুটির সঙ্গে পছন্দের সবজি রাখা যেতে পারে। এর পাশাপাশি নিরামিষভোজীরা ডাল এবং আমিষভোজীরা চিকেন বা মাছ গ্রহণ করতে পারেন। বিকেলে হালকা নাশতা হিসেবে কিছু ছোলা ও গ্রিন টি নেওয়া যেতে পারে।

​৩. রাতের পুষ্টিকর আহার: নৈশভোজে চিকেন বা মাছের সঙ্গে স্যুপ ও সালাদ অথবা রুটি, সবজি, ডাল ও সালাদের সংমিশ্রণ রাখা যায়। এ ধরনের খাদ্যতালিকায় প্রোটিন, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, পলিফেনল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সঠিক ভারসাম্য বজায় থাকে।

​শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব

​প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। সুষম ও নিয়মতান্ত্রিক খাবার খেলে হজমপ্রক্রিয়া উন্নত হয় এবং বিভিন্ন সাধারণ রোগব্যাধি থেকে শরীর সুরক্ষিত থাকে। পক্ষান্তরে, অসচেতন খাদ্যাভ্যাস উচ্চ রক্তচাপ, অপুষ্টি এবং দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ঝুঁকি তৈরি করে।

​এছাড়া খাবারের ধরন আমাদের মেজাজ ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখে। ওমেগা-৩ ফ্যাট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রয়োজনীয় ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার মানসিক প্রশান্তি ও সতেজতা বাড়ায়। অন্যদিকে অতিরিক্ত চিনি ও অস্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর