সুস্বাস্থ্যের জন্য ফল ও সবজির ওপর আমাদের নির্ভরতা থাকলেও এতে ব্যবহৃত কীটনাশক বর্তমানে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফসলে ব্যবহৃত রাসায়নিকের অবশিষ্টাংশ দীর্ঘমেয়াদে শরীরে
প্রবেশ করলে তা স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে। তবে সঠিক সচেতনতা ও কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চললে এই ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ জয়েশ শর্মার মতে, কীটনাশকের প্রভাব দুইভাবে কাজ করে। যারা সরাসরি ফসলে কীটনাশক প্রয়োগ করেন, তাদের ক্ষেত্রে লিউকেমিয়া বা লিম্ফোমার মতো ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি থাকে। অন্যদিকে, সাধারণ মানুষ খাবারের মাধ্যমে খুব সামান্য পরিমাণ রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসেন। আধুনিক চাষাবাদে ব্যবহৃত কীটনাশকগুলো সাধারণত ৩ থেকে ১০ দিনের মধ্যে কার্যকারিতা হারায়, ফলে বাজার থেকে কিনে ব্যবহারের সময় এর ক্ষতিকর প্রভাব কিছুটা কমে আসে। তবুও অর্গ্যানোক্লোরিনের মতো কিছু রাসায়নিক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে স্তন বা প্রজননজনিত ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
খাবারে কীটনাশকের ঝুঁকি কমানোর কার্যকরী উপায়:
এ ছাড়া সম্ভব হলে জৈব সার বা অর্গানিক পদ্ধতিতে চাষ করা খাবার বেছে নেওয়া এবং বাড়ির বারান্দা বা ছাদে ছোট পরিসরে সবজি চাষ করা কীটনাশকমুক্ত থাকার অন্যতম সেরা উপায়।
এসআর