[email protected] শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৪ ফাল্গুন ১৪৩২

রোজায় ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় টকদই: যা জানা জরুরি

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৭:৫৭ পিএম

রমজানে ইফতার বা সেহরিতে অনেকেরই পছন্দের তালিকায় থাকে টকদই। কেবল স্বাদ নয়,

 পুষ্টিগুণ ও রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও এটি অত্যন্ত কার্যকরী। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য টকদই একটি আদর্শ খাবার হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।


​টকদই ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, প্রোটিন এবং ভিটামিনের একটি চমৎকার উৎস। এটি শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির জোগান দেওয়ার পাশাপাশি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।


​ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে টকদইয়ের ভূমিকা
​বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণায় (যেমন- দ্য জার্নাল অব নিউট্রিশন ও এফডিএ-র সমীক্ষা) দেখা গেছে:


​টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস: নিয়মিত পরিমিত টকদই খেলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি প্রায় ২০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে।


​ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমায়: টকদই একটি প্রোবায়োটিক খাবার, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং ইনসুলিনকে কার্যকরভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।


​লো গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI): এর জিআই কম হওয়ায় এটি খাওয়ার পর রক্তে হঠাৎ করে গ্লুকোজ বেড়ে যায় না।

​ওজন নিয়ন্ত্রণ: এতে থাকা প্রোটিন দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে, ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে।


​সহজপাচ্য: ইফতারের পর হজমের সমস্যায় টকদই বেশ আরামদায়ক।


​বিপাকক্রিয়া: শরীরের মেটাবলিজম বা বিপাকক্রিয়া সক্রিয় রাখতে এটি সাহায্য করে।
​কতটুকু এবং কীভাবে খাবেন?
​পরিমাণ: বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন গড়ে ১০০ থেকে ২০০ গ্রাম (প্রায় এক কাপ) ঘরে তৈরি টকদই খাওয়ার পরামর্শ দেন।


​সতর্কতা: বাজারজাত অতিরিক্ত চিনিযুক্ত বা ফ্লেভারড দই এড়িয়ে চলাই ভালো।
​টিপস: পুষ্টিগুণ বাড়াতে টকদইয়ের সঙ্গে ফল, বাদাম বা চিয়া সিড মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে।


​পরামর্শ: যাদের ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স (দুধে অ্যালার্জি) বা অন্য কোনো জটিল শারীরিক সমস্যা রয়েছে, তারা নিয়মিত টকদই খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর