এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের ১৩ হাজার ৫৫৯টি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তৈরি হওয়া আইনি জটিলতা আপাতত কেটে গেছে।
এর ফলে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার শর্তে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে আর আইনি বাধা থাকছে না।
তবে হাইকোর্টে রিট করা ৪৬ শিক্ষকের জন্য ৪৬টি পদ সংরক্ষিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের করা আবেদনের শুনানি শেষে আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের চেম্বার জজ আদালত এ আদেশ দেন।
রাষ্ট্রপক্ষে আদালতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ওসমান চৌধুরী।
আদেশের পর সাংবাদিকদের অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের যোগ্যতার ক্ষেত্রে চলতি বছরের ২৫ মার্চ একটি সংশোধনী আনা হয়। ওই সংশোধনীর মাধ্যমে এ পদে নিয়োগের জন্য শিক্ষকের অভিজ্ঞতা ১৮ বছর নির্ধারণ করা হয়েছিল।
তিনি জানান, ২০২১ খ্রিষ্টাব্দে প্রণীত জনবল কাঠামোতে এ বিষয়ে দুটি বিধান ছিল। সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারীদের জন্য সহকারী শিক্ষক হিসেবে তিন বছরসহ মোট ১৫ বছরের অভিজ্ঞতার শর্ত ছিল।
একই সঙ্গে সরাসরি নিয়োগের সুযোগও রাখা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ২৫ মার্চের সংশোধনীর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতার মেয়াদ বাড়িয়ে ১৮ বছর করা হয়।
এই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ৪৬ জন শিক্ষক হাইকোর্টে রিট করেন।
শুনানি শেষে হাইকোর্ট সরকারের করা ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার বিধান বাতিল করে রুল অ্যাবসোলিউট ঘোষণা করেন।
পরে ওই রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করা হয়। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই মঙ্গলবার স্থগিতাদেশ দেওয়া হলো।
এসআর