[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
১ শ্রাবণ ১৪৩৩

রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হলো হরিদাস চন্দ্রকে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ জুলাই ২০২৬ ৮:৫১ পিএম

সংগৃহীত ছবি

অর্থ পাচারের একটি মামলায় চার দিনের রিমান্ড শেষে হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম তার জামিন আবেদন নাকচ করে এ আদেশ দেন।

 

এদিন রিমান্ড শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তারা তাকে আদালতে হাজির করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির ইন্সপেক্টর কে এম রাকিবুল হুদা আদালতের কাছে তাকে কারাগারে রাখার আবেদন জানান।

আবেদনে বলা হয়, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সময় মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে, যা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করা হয়।

 

রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে আরও বলা হয়, অভিযুক্তের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তার ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাবের লেনদেন এবং অর্থের উৎস ও ব্যবহার নিয়ে তদন্ত চলছে। এসব তথ্য মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত তদন্তে সহায়ক হবে বলে দাবি করা হয়েছে।

 

অন্যদিকে আসামিপক্ষে আইনজীবী শ্যামল কুমার রায় জামিনের আবেদন করলে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তা প্রত্যাখ্যান করেন।

 

এর আগে গত ১২ জুলাই সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের এসআই সাইফুল ইসলাম উত্তরা পশ্চিম থানায় প্রায় ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন। একই রাতে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মধ্য রামচন্দ্রপুর এলাকা থেকে হরিদাস চন্দ্রকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালত তাকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন।

 

মামলার নথি অনুযায়ী, হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস গাইবান্ধার একটি মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা। তদন্তে তার একাধিক ব্যাংক হিসাবের লেনদেন পর্যালোচনা করে ব্যবসাবহির্ভূত অর্থ জমার তথ্য পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে হুন্ডির সহায়তায় দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার এবং অবৈধ অর্থের উৎস ও মালিকানা গোপনের অভিযোগও মামলায় উল্লেখ রয়েছে।

 

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং আদালতের চূড়ান্ত রায়ের আগ পর্যন্ত অভিযোগগুলো প্রমাণিত নয়।

এসআর

সম্পর্কিত খবর