উচ্চশিক্ষার জন্য স্বল্প খরচে এবং দ্রুত বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার থাকা বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কসের মালিক খায়রুল বাশার বাহার ও তার সংশ্লিষ্টদের প্রায় ৩৩ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ (ক্রোক) করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, তদন্তে প্রাথমিকভাবে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগের ভিত্তি পাওয়ায় ২০২৫ সালের ৪ মে রাজধানীর গুলশান থানায় খায়রুল বাশারের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়। পরে একই বছরের ১৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য, প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট, বহুতল ভবন ও বিপুল পরিমাণ জমি কেনা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এর মধ্যে ভাটারা, রাজাবাজার ও আজিজ সড়কে থাকা স্থাবর সম্পদের পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্য ও প্রতিষ্ঠানের নামেও সম্পদ রয়েছে। এসব সম্পদের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩৩ কোটি টাকা।
সিআইডি আরও জানায়, খায়রুল বাশার নিজেকে শিক্ষাবিদ ও ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিলেও, বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কসের মাধ্যমে বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সংঘবদ্ধভাবে বহু শিক্ষার্থীর কাছ থেকে বিপুল অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে।
মামলাটির তদন্ত এখনো চলমান। তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা ও দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসআর