[email protected] মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয়: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯ জুন ২০২৬ ৮:৪৮ পিএম

সংগৃহীত ছবি

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের মালিকানা, পরিচালনা পর্ষদ ও চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদে তুমুল আলোচনা হয়েছে।

এ সময় ব্যাংকটির বর্তমান অবস্থা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সংসদ অধিবেশনে বিষয়টি উত্থাপন করেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

তার বক্তব্যের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান বা রাজনৈতিক দলের নামের সঙ্গে ‘ইসলামী’ শব্দ থাকলেই সেটিকে ইসলামের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক নয়।

তিনি মন্তব্য করেন, ইসলামের নামে সব ধরনের বিতর্ক বা দাবি উপস্থাপন করাও সমীচীন নয়।

ব্যাংকটিকে ঘিরে চলমান কর্মসূচির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রকৃত গ্রাহক ও আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার সচেষ্ট রয়েছে।

আইন অনুযায়ী বৈধ মালিকানা ও গ্রাহকদের অধিকার নিশ্চিত করা হবে। তবে কিছু মহল আড়াল থেকে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

পরিচালনা পর্ষদ গঠন বা বিলুপ্তির বিষয়ে তিনি জানান, প্রচলিত ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা রয়েছে।

এ নিয়ে কারও আপত্তি থাকলে আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ব্যাংক থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নিয়ে ফেরত না দেওয়া ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে তদন্ত করা হবে।

একই সঙ্গে অতীতে বিপুলসংখ্যক কর্মীকে চাকরিচ্যুত করার অভিযোগও খতিয়ে দেখা হবে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।

আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের দাবি করেন, অতীতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বের করে নেওয়া হয়েছে।

তিনি ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রশাসনিক পরিবর্তন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

প্রসঙ্গত, গত মে মাসে চেয়ারম্যান পদে পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলম ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এরপর থেকেই ব্যাংকের একাংশের গ্রাহক ও শেয়ারধারীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয় এবং তারা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন।

এই সংস্করণটি সংবাদপত্রে প্রকাশের উপযোগী করে পুনর্লিখন করা হয়েছে এবং মূল প্রতিবেদনের ভাষা ও বাক্যগঠন থেকে যথেষ্ট ভিন্ন রাখা হয়েছে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর