ইরানে যুদ্ধ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে তেহরানকে সাধ্যমতো সব ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত
রাশিয়া। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে এই আশ্বাস দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
কমনওয়েলথ অব ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টেটস (সিআইএস) শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে মধ্য এশিয়ার দেশ তুর্কমেনিস্তানে পৌঁছে দুই দেশের শীর্ষ নেতা দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন।
বৈঠকে ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, "এই যুদ্ধ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ইরানের জন্য আমাদের সাধ্যের মধ্যে যা কিছু আছে, আমরা করতে প্রস্তুত। কারণ আমরা দেখেছি যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকে ইরান যুদ্ধ অবসানের জন্য প্রকৃত প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে।"
ভাষণে পুতিন ইরান ও রাশিয়ার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ‘ইতিবাচক অগ্রগতির’ বিষয়টিরও প্রশংসা করেন। ২০২২ সালে ইউক্রেন সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে পশ্চিমাদের নানামুখী নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়া দেশ দুটি পারস্পরিক কূটনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়িয়েছে।
শুক্রবার তুর্কমেনিস্তানের কাস্পিয়ান সাগরের তীরবর্তী স্থান 'আভাজা'-তে সিআইএসের মূল অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সম্মেলনে অংশ নিতে দুই প্রেসিডেন্টই আগে সেখানে পৌঁছান। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে কিরগিজস্তানে আয়োজিত সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) সম্মেলনের ফাঁকে এই দুই নেতার দ্বিপাক্ষিক সাক্ষাৎ হয়েছিল।
পশ্চিমারা দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ তুলে আসছে যে, ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারে তেহরান মস্কোকে শাহেদ ড্রোন ও স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেছে। একইভাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থে লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে ইরানকে রাশিয়া তথ্য সহায়তা দিয়ে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে।
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার কূটনৈতিক পরোক্ষ আলোচনা ও অস্থিরতার মধ্যে এই শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো। ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে চলমান চুক্তি বা আলোচনার পরিস্থিতি নানা জটিলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
এসআর