এ বছর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন কানাডার কবি ও লেখক অ্যান কারসন।
সুইডিশ অ্যাকাডেমির ভাষ্য অনুযায়ী, সমকালীন সাহিত্যে প্রাচীন সাহিত্যিক ঐতিহ্যকে নতুনভাবে উপস্থাপন এবং লেখার ক্ষেত্রে তার অভিনব ও বৈচিত্র্যময় প্রয়াস আধুনিক সাহিত্যে নতুন মাত্রা তৈরি করেছে। এ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই কারসনকে এ বছরের নোবেল দেওয়া হয়েছে।
১৯৫০ সালে কানাডার টরন্টো শহরে জন্মগ্রহণ করেন অ্যান কারসন। ক্লাসিকস নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন তিনি। ১৯৮১ সালে এ বিষয়ে তার ডক্টরাল থিসিস ‘ওদি এত আমো এরগো সাম’ প্রকাশিত হয়।
দীর্ঘ সাহিত্যিক জীবনে কবিতা রচনার পাশাপাশি অনুবাদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন কারসন। তার লেখায় ভাষার সূক্ষ্ম ব্যবহার এবং শব্দের নতুন অর্থ অনুসন্ধানের প্রবণতা বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
কারসনের সাহিত্যকর্মে শব্দের গভীরে থাকা অর্থ ও ভাষার নানা স্তর অনুসন্ধানের বিষয়টি বারবার উঠে এসেছে। লেখালেখির ক্ষেত্রে কোনো শব্দের উৎস ও উৎপত্তি খুঁজে বের করাকে নিজের কাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক ধাপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।
গত বছর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন হাঙ্গেরির লেখক লাসলো ক্রাসনাহোরকাই। এবার সেই পুরস্কারের স্বীকৃতি পেলেন কানাডার অ্যান কারসন।
এসআর