আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি, বিশেষ করে ডিজেলের সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে
তেলের দাম বেড়ে চলেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি মজুত থেকে ১০ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও ডিজেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট জি-৭।
যুক্তরাষ্ট্রে মাত্র এক মাসের ব্যবধানে প্রতি গ্যালন ডিজেলের গড় দাম ৫.৬১ ডলার থেকে বেড়ে ৬.৫০ ডলারে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) সাবেক কর্মকর্তা নিল অ্যাটকিনসনের মতে, এই সংকট ও মূল বৃদ্ধির পেছনে তিনটি প্রধান কারণ রয়েছে:
মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহ হ্রাস: আগে ইউরোপ সৌদি আরব ও কুয়েত থেকে বিপুল পরিমাণ ডিজেল আমদানি করলেও সম্প্রতি সেখান থেকে ইউরোপগামী সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
রাশিয়ার রপ্তানি বন্ধ: ইউক্রেনের হামলায় রাশিয়ার বেশ কিছু তেল শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশটি ডিজেল রপ্তানি স্থগিত করেছে।
চীনের রপ্তানি বন্ধ: চীনও তাদের ডিজেল রপ্তানি বন্ধ রাখায় আন্তর্জাতিক বাজারে ঘাটতি আরও তীব্র হয়েছে।
সরবরাহের এই ঘাটতির বিপরীতে চাহিদায় কোনো ঘাটতি নেই। বিশেষ করে বিশ্বজুড়ে কৃষিপণ্য কাটার মৌসুম চলার কারণে ডিজেলের বিপুল চাহিদা রয়েছে, যা সামনের দিনগুলোতেও বহাল থাকতে পারে। সরবরাহ ও চাহিদার এই সামঞ্জস্যহীনতার কারণেই মূলত বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম ক্রমাগত বাড়ছে।
এসআর