শর্তসাপেক্ষে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি সাতদিনের মধ্যে খুলে দেওয়া সংক্রান্ত ইরানের নতুন প্রস্তাবের
জবাব আজ যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আসতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। সোমবার রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
আব্বাস আরাঘচি জানান, কাতারের মধ্যস্থতায় তাদের একটি পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়েছে এবং কাতার এ নিয়ে আলোচনার পর প্রস্তাবটি মার্কিনিদের কাছে উত্থাপন করবে। তারা আশা করছেন, মঙ্গলবারের মধ্যেই এই প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তাদের কাছে পৌঁছে যাবে।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে অবস্থান করছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানে সরাসরি না হলেও মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
‘সাতদিনের প্রস্তাব’ নামের এই নতুন প্রস্তাবে ইরান শর্ত দিয়েছে—মধ্যপ্রাচ্যের সবকটি ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে, ইরানের ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে এবং তাদের আটকে থাকা সব সম্পদ ফেরত দিতে হবে। এসব শর্ত পূরণ হলে অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালি সাতদিনের মধ্যে পুনরায় খুলে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষদিকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা চালানোর পর থেকে বিশ্ববাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি বন্ধ রয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পূর্বে বিশ্বের মোট ব্যবহৃত জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় ২০ শতাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়েই সরবরাহ করা হতো।
এসআর