[email protected] শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
১৪ ভাদ্র ১৪৩৩

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ফের বন্যার আশঙ্কা, চীনে উদ্ধারকাজ স্থগিত

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৮ আগষ্ট ২০২৬ ১২:৫৫ পিএম

সংগৃহীত ছবি

গত ২৬ আগস্টের ভয়াবহ বানের রেশ না কাটতেই নেপাল-তিব্বত সীমান্তে নতুন করে ফের

 আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে চীন সীমান্ত এলাকায় নিজেদের উদ্ধার অভিযান স্থগিত ঘোষণা করেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল সিসিটিভি জানায়, তিব্বত-নেপাল সীমান্তের কাছে নতুন একটি 'বেরিয়ার হ্রদের' সন্ধান পাওয়া গেছে, যা যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে। এই ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে আগামী তিন দিন তিব্বতে উদ্ধার কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

​পাহাড়ি ধস বা প্রাকৃতিক বাধায় নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ আটকে তৈরি হওয়া হ্রদকে 'ব্যারিয়ার হ্রদ' বলা হয়। গত বুধবার তুষারধসের কারণে ভোতি কোশি নদীর শাখানদী লেহেন্দেতে এমন এক হ্রদ সৃষ্টি হয়েছিল। পরবর্তীতে পানিপ্রবাহের চাপে এটি ভেঙে লাখ লাখ ঘনমিটার পানি লেহেন্দে থেকে ভোতিকোশিতে ধেয়ে আসলে আকস্মিক প্লাবন ঘটে। এতে নেপালের রাসুয়া এবং তিব্বতের গিরং জেলায় ভয়াবহ ক্ষতি হয়, যাতে প্রায় ৫০০ জন প্রাণ হারান এবং ৮৬৫ জন বিদেশীসহ প্রায় ১,৪০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। স্তূপীকৃত কাদা ও ধ্বংসাবশেষের নিচে চাপা পড়া এসব এলাকায় নেপাল অংশে উদ্ধারকাজ এখনও চলমান।

​বর্তমানে সন্ধান পাওয়া নতুন হ্রদটি ২৬ আগস্ট ভেঙে যাওয়া হ্রদের চেয়ে আরও উজানে, তিব্বতের ছোচেন খোলা ও পুরেপু সাংপো নদীর সংযোগস্থলে অবস্থিত। সেখানে বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ ঘনমিটার পানি জমে আছে এবং ইতিমধ্যেই তা উপচে পড়তে শুরু করেছে। আগামী তিন দিনে আরও প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি যুক্ত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে চীন। অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে চীনের জলসম্পদ মন্ত্রণালয় হ্রদের অবস্থা ও এলাকার ভৌগোলিক পরিবর্তনের ওপর কড়া নজরদারি রাখছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং বেইজিং ও চেংদু থেকে বিশেষ উদ্ধার ও ত্রাণ দল পাঠানো হয়েছে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর