বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারেক রহমানের সম্ভাব্য সফরকে সামনে রেখে ঢাকা ও নয়াদিল্লি—দুই পক্ষই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সফরের সম্ভাব্য সময় ও কর্মসূচি নিয়ে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা চলছে।
তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কিংবা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত সফর নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশের কর্মকর্তারাও সফরের বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি।
সফরটি হলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি হবে তারেক রহমানের প্রথম দ্বিপক্ষীয় ভারত সফর।
সম্ভাব্য সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে।
সেখানে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
বাণিজ্য, যোগাযোগ, জ্বালানি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো বিষয় আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে।
এদিকে ভারতের পক্ষ থেকে আগামী ২১ ও ২২ আগস্ট সফরের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচির কারণে ঢাকার পক্ষ থেকে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহকে বেশি সুবিধাজনক সময় হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফলে সফরের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণে এখনো আলোচনা চলছে।
অন্যদিকে, আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ওই সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার জন্যও আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।
তবে এ আমন্ত্রণ গ্রহণ করে তিনি সফরে যাবেন কি না, সে বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে নতুনভাবে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
তবে সফরের সময় ও কর্মসূচি নিয়ে দুই দেশের আলোচনার পরই বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।
এসআর