[email protected] শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

ইরানে মার্কিন বাহিনীর জোরালো হামলা, পাল্টা আঘাত আইআরজিসির

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৭ জুন ২০২৬ ৮:০৩ এএম

সংগৃহীত ছবি

শনিবার (২৭ জুন) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে ওমানের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের

 (আইএমও) সঙ্গে সমন্বয় করে কোনো ধরনের ফি ছাড়াই হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচল ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে একটি অস্থায়ী সামুদ্রিক করিডোর চালুর ঘোষণার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক ভেঙে দিয়ে আবারও ইরান ও মার্কিন বাহিনীর মধ্যে তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছে, যেখানে গত বৃহস্পতিবার সিঙ্গাপুরভিত্তিক বাণিজ্যিক জাহাজ ‘এভার লাভলিতে’ ড্রোন হামলার কঠোর জবাব দিতে ‘যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড’ (সেন্টকম) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মজুতকেন্দ্র এবং উপকূলীয় রাডার সাইটগুলোতে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে এবং এই অভিযানকে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করার বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ বলে দাবি করেছে।

সেন্টকমের এই ঘোষণার পরপরই দক্ষিণ ইরানের সিরিক বন্দরের কাছে মার্কিন হামলার জবাবে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে এবং সরকারি সংবাদ সংস্থা ইরনায় প্রকাশিত বিবৃতিতে সতর্ক করেছে যে আবারও কোনো হামলা হলে এর প্রতিরোধ আরও ব্যাপক হবে।

দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি হামলার ফলে গত ১৭ জুন লেবাননসহ সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান স্থায়ীভাবে বন্ধ ও আলোচনার মাধ্যমে অমীমাংসিত বিষয়গুলো মীমাংসার শর্তে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটির কার্যকারিতা সম্পূর্ণ প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে এবং উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি ও চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে, যার ফলে যুদ্ধ শুরুর পর ইরানের হরমুজ প্রণালি বন্ধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি, সার ও অন্যান্য পণ্যের দাম যেমন আকাশচুম্বী হয়েছে, তেমনি তেহরান এই ড্রোন হামলার দায় সরাসরি স্বীকার না করলেও তাদের অনুমতি ছাড়া এই নৌপথ ব্যবহারে বারবার সতর্কবার্তা দেওয়ায় এবং বর্তমান গোলযোগের কারণে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে প্রণালিতে আটকে পড়া ১১ হাজারের বেশি নাবিককে উদ্ধারের মিশন সাময়িকভাবে স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর