কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় সম্ভাব্য অনিয়ম অনুসন্ধানে গঠিত ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির কার্যক্রম কার্যত থমকে আছে।
কারণ, অভিযোগ ও তথ্য আহ্বানের এক বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও কমিটির কাছে কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১০৩তম সভায় এ-সংক্রান্ত তদন্তের জন্য একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির আহ্বায়ক করা হয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামালকে। সদস্য সচিবের দায়িত্ব পান সহকারী রেজিস্ট্রার মো. মনিরুজ্জামান।
এছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের অধ্যাপক মতিন সাদ আবদুল্লাহ।
কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত বছরের ২৬ জুন সহকারী রেজিস্ট্রার মো. মনিরুজ্জামানের স্বাক্ষরে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি-সংক্রান্ত তথ্য ও অভিযোগ আহ্বান করা হয়।
সেখানে ২৫ জুলাই পর্যন্ত অভিযোগ জমা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময় তো বটেই, এক বছরের বেশি সময় পার হলেও কোনো ব্যক্তি বা পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি।
এ বিষয়ে কমিটির সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম বলেন, শুরুতে কোনো তথ্য পাওয়া না যাওয়ায় পরে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে অভিযোগ আহ্বান করা হয়েছিল।
কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ না আসায় তদন্ত এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কমিটির সদস্য সচিব মো. মনিরুজ্জামান জানান, অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা ছিল।
কিন্তু এ পর্যন্ত কোনো অভিযোগ না পাওয়ায় কমিটির পক্ষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কমিটির আহ্বায়ক ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, অভিযোগ জমা না পড়ায় কমিটির কার্যক্রম স্থগিত অবস্থায় রয়েছে।
যেহেতু কমিটিটি সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তে গঠিত হয়েছে, তাই বিষয়টি পরবর্তী সিন্ডিকেট সভায় আলোচনার জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে।
এসআর