[email protected] রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
১০ কার্তিক ১৪৩৩

এআই প্রযুক্তি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করলেন কৃতি শ্যানন

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ১১:৫০ এএম

সংগৃহীত ছবি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI)-এর দ্রুত অগ্রগতির ফলে তৈরি হওয়া ঝুঁকি এবং ব্যক্তিগত

 তথ্যের সুরক্ষা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা কৃতি শ্যানন। সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি জানান, প্রযুক্তির এই দ্রুত পরিবর্তনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে উপযুক্ত আইন ও নীতিমালা প্রণয়ন করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

​বর্তমানে অনলাইনে আসল ছবি এবং এআই দিয়ে তৈরি বিকৃত বা ভুয়া ছবির মধ্যে পার্থক্য করা বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে কৃতি বলেন, আসল ও এআই-তৈরি ছবির দৃশ্যগত পার্থক্য এতই সূক্ষ্ম যে সাধারণ মানুষের পক্ষে তা শনাক্ত করা অসম্ভব প্রায়। ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির এই রূপান্তরের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সাধারণ মানুষ এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত নয় বলে তিনি মনে করেন।

​সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বর্তমান সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে তিনি বলেন, কোনো ভুয়া বা এআই-তৈরি ছবি বা কনটেন্ট সরিয়ে নেওয়ার জন্য প্ল্যাটফর্মগুলোতে এখনো পর্যাপ্ত ও সুনির্দিষ্ট রিপোর্ট করার সুযোগ বা ক্যাটাগরি তৈরি হয়নি। ফলে প্রযুক্তির উন্নয়নের তুলনায় আইনি ও অবকাঠামোগত সুরক্ষার গতি পিছিয়ে রয়েছে।

​প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখলেও কৃতি শ্যানন জানান, ব্যক্তিগত অধিকার ও প্রাইভেসির জায়গায় এআইয়ের অপব্যবহার অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। তিনি এআই-কে একটি অত্যন্ত ধারালো অস্ত্রের সাথে তুলনা করে বলেন, প্রযুক্তি একটি সহায়ক হাতিয়ার মাত্র, চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়। অস্ত্র যত বেশি ধারালো হয়, তার অপব্যবহারের ঝুঁকিও তত বৃদ্ধি পায়। তাই প্রযুক্তির বিকাশের পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণমূলক আইনি সুরক্ষাও সমান তালে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

​উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে তেলুগু চলচ্চিত্র ‘১: নেনোক্কাদিন’ এবং পরবর্তীতে হিন্দি সিনেমা ‘হিরোপন্তি’-র মাধ্যমে কৃতির রূপালি পর্দায় যাত্রা শুরু হয়। এরপর থেকে একের পর এক সফল কাজের মাধ্যমে তিনি আধুনিক ভারতীয় সিনেমার অন্যতম শীর্ষ অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

এসআর

সম্পর্কিত খবর