ভারতের জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেত্রী জেনিফার উইংগেটকে ঘিরে আবারও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন তথ্য ও গুঞ্জনের কারণে তার সম্ভাব্য দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ভক্তদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
বিনোদনভিত্তিক কয়েকটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সিঙ্গাপুরপ্রবাসী ব্যবসায়ী ইশমায়েল উইলিয়ামের সঙ্গে জেনিফারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
এমনকি তাদের বাগদান সম্পন্ন হয়েছে এবং শিগগিরই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হতে পারে বলেও বিভিন্ন সূত্রে আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
জানা যায়, কিছু সময় ধরে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনের ভাষ্যমতে, ইশমায়েল নাকি জেনিফারকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন এবং অভিনেত্রীও তাতে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। এরপর থেকেই তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে জল্পনা বাড়তে থাকে।
এর আগে অভিনেতা করণ সিং গ্রোভারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন জেনিফার উইংগেট। একটি জনপ্রিয় টেলিভিশন সিরিয়ালের শুটিং সেটে পরিচয়ের পর তাদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে ২০১২ সালে তারা বিয়ে করেন। তবে সেই দাম্পত্য দীর্ঘস্থায়ী হয়নি এবং ২০১৪ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।
বিচ্ছেদের পর করণ সিং গ্রোভার অভিনেত্রী বিপাশা বসুর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং ২০১৬ সালে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। অন্যদিকে জেনিফার দীর্ঘদিন নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে আলোচনার বাইরে রেখেছিলেন।
সম্প্রতি একটি বিয়েসংক্রান্ত ভিডিওতে অভিনেত্রীর মন্তব্য এবং সামাজিক মাধ্যমে বিয়ে-সংক্রান্ত বিভিন্ন পেজ ও কনটেন্ট অনুসরণ করার বিষয়টি ভক্তদের নজরে আসে। এরপর থেকেই তার বিয়ের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।
কিছু গণমাধ্যমের দাবি, জেনিফার ও ইশমায়েল বর্তমানে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছেন এবং সম্ভাব্য বিয়ের আয়োজন নিয়েও আলোচনা করছেন। বিয়ের বিভিন্ন প্রস্তুতি ও আয়োজনসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের কাজও নাকি শুরু হয়েছে।
প্রতিবেদনগুলোতে আরও বলা হয়েছে, তাদের বিয়ে খ্রিস্টান ধর্মীয় রীতিতে অনুষ্ঠিত হতে পারে। সম্ভাব্য সময় হিসেবে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর অথবা ডিসেম্বর-জানুয়ারির সময় বিবেচনায় রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে অনুষ্ঠানস্থলসহ অন্যান্য বিষয় এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
যদিও এসব তথ্যের বেশিরভাগই বিভিন্ন সূত্র ও গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে প্রকাশিত হয়েছে, তবুও জেনিফার উইংগেট বা তার প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।
এসআর