[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকারি স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে লটারি, দ্বিতীয় থেকে নবমে ভর্তি পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ৯:৩৬ পিএম

সংগৃহীত ছবি

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে।

অন্যদিকে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। নতুন ভর্তি নীতিমালায় পরীক্ষার নম্বর, সময় ও শিক্ষার্থী নির্বাচনের পদ্ধতিও নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ ‘সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা-২০২৭’ প্রকাশ করে। মন্ত্রণালয়ের সরকারি মাধ্যমিক-১ শাখার উপসচিব তানিয়া ফেরদৌস নীতিমালাটিতে স্বাক্ষর করেছেন।

 

নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করার সময় একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ পাঁচটি বিদ্যালয় পছন্দের তালিকায় রাখতে পারবে। কোনো বিদ্যালয়ে দুই শিফট চালু থাকলে উভয় শিফট পছন্দ করলে তা দুটি পছন্দ হিসেবে গণ্য হবে। একই প্রতিষ্ঠানে একাধিক আবেদন জমা দিলে সব আবেদন বাতিল করা হবে।

 

প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে ডিজিটাল লটারির আয়োজন করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। ভর্তি কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে লটারি পরিচালনা এবং পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

লটারিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমসংখ্যক অপেক্ষমাণ শিক্ষার্থীর তালিকাও তৈরি করা হবে। নির্ধারিত সময়ে নির্বাচিত কেউ ভর্তি না হলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ধারাবাহিকভাবে শিক্ষার্থী নেওয়া হবে।

 

অন্যদিকে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে শূন্য আসনের বিপরীতে লিখিত পরীক্ষা নিয়ে মেধাক্রম অনুসারে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। এ ক্ষেত্রেও নির্বাচিতদের তালিকার পাশাপাশি আসনসংখ্যা অনুযায়ী অপেক্ষমাণ তালিকা প্রস্তুত রাখতে হবে। নির্ধারিত সময়ে কেউ ভর্তি না হলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পাবে।

 

যে শ্রেণিতে যত নম্বরের পরীক্ষা

নীতিমালায় দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার জন্য মোট ৫০ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে বাংলায় ১৫, ইংরেজিতে ১৫ এবং গণিতে ২০ নম্বর থাকবে। পরীক্ষার সময় এক ঘণ্টা।

 

ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরের। এর মধ্যে বাংলায় ৩০, ইংরেজিতে ৩০ এবং গণিতে ৪০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। এ পরীক্ষার জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে দুই ঘণ্টা।

 

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিদ্যালয়ের প্রধানরা শূন্য আসনের সংখ্যা উল্লেখ করে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবেন। পাশাপাশি জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদপত্র এবং ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রম সম্পর্কে প্রচারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর