প্রাণীদের প্রতি মানুষের দায়িত্ব ও সহমর্মিতা বাড়ানো এবং তাদের সুরক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রতিবছর ৪ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব প্রাণী দিবস।
পৃথিবীর পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য রক্ষায় প্রাণীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বন উজাড়, আবাসস্থল ধ্বংস, জলবায়ু পরিবর্তন, দূষণ এবং মানুষের নানা কর্মকাণ্ডের কারণে প্রতিনিয়ত অসংখ্য বন্যপ্রাণী ও পাখি নিরাপদ আশ্রয় হারাচ্ছে। এতে শুধু প্রাণীর অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়ছে না, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রকৃতির স্বাভাবিক ভারসাম্যও।
প্রাণীদের অস্তিত্ব রক্ষায় তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণ করা জরুরি। বন ও জলাভূমি রক্ষার পাশাপাশি পাখি ও বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক বিচরণক্ষেত্র নিরাপদ রাখতে হবে। একই সঙ্গে গৃহপালিত ও পথপ্রাণীর প্রতিও মানবিক আচরণ নিশ্চিত করা এবং তাদের ওপর নির্যাতন বন্ধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।
প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন ধরনের দূষণ কমানো এবং নির্বিচারে গাছপালা ধ্বংস না করাও প্রাণী সুরক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনের মাধ্যমে প্রাণীদের জন্য নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব।
সুস্থ ও সুন্দর পৃথিবী গড়তে মানুষের পাশাপাশি অন্যান্য প্রাণীর বেঁচে থাকার অধিকারও গুরুত্ব দিতে হবে। বিশ্ব প্রাণী দিবসে তাই প্রাণী ও প্রকৃতি রক্ষায় সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের নিরাপদ আবাস ও জীবন নিশ্চিত করার প্রত্যয় নেওয়া প্রয়োজন।
এসআর