ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন করা হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রার্থনা কক্ষে মঙ্গল আরতির মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়। পরে সকাল ১০টায় ক্যাম্পাসে বের করা হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
শোভাযাত্রা শেষে ক্যাম্পাসকে আরও সবুজ ও পরিবেশবান্ধব করার প্রত্যয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেন আয়োজকরা।
আয়োজকদের সূচি অনুযায়ী, বিকেল ৪টায় কীর্তন এবং বিকেল ৫টায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সন্ধ্যা ৬টায় হবে সন্ধ্যা আরতি। এরপর রাত ৮টার দিকে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাভিষেকের আয়োজন করা হবে। সবশেষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শেষ হবে।
পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুবেল বৈরাগী বলেন, ধর্ম প্রতিষ্ঠা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থানের শিক্ষা দিতে যুগে যুগে ভগবানের আবির্ভাবের কথা বলা হয়েছে। এই শিক্ষা শুধু একটি সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মানবতার জন্যও এর গুরুত্ব রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বৈষম্যহীন সমাজের কথা বলা হলেও বাস্তবে এখনো বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্য দেখা যায়। দীর্ঘ আন্দোলনের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি প্রার্থনা কক্ষ পাওয়া গেলেও এখনো স্থায়ী মন্দির প্রতিষ্ঠা করা হয়নি। বর্তমান প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সজীব বিশ্বাস বলেন, শ্রীকৃষ্ণের জীবন ও আদর্শ মানুষকে সত্য, ন্যায়, ভালোবাসা ও মানবতার পথে চলার অনুপ্রেরণা দেয়। জন্মাষ্টমীর এই দিনে তিনি বিশ্বের সব প্রাণীর শান্তি, সুখ ও কল্যাণ কামনা করেন।
তিনি সবাইকে শুভ জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানান।
এসআর